খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

কোনো শিশু স্কুলের বাইরে থাকবে না, প্রতিটি শিশুই শিখবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
কোনো শিশু স্কুলের বাইরে থাকবে না, প্রতিটি শিশুই শিখবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বপ্ন কোনো শিশু স্কুলের বাইরে থাকবে না (No Child Out of School) এবং প্রতিটি শিশুই শিখবে (Every Child Learns) এই দুই ভিশন বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়ভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।দেশের কোনো শিশু যেন শিক্ষার বাইরে না থাকে এবং প্রতিটি শিশু যেন বিদ্যালয়ে গিয়ে কার্যকরভাবে শিখতে পারে এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার, জবাবদিহি ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

২৩ আগস্ট রবিবার বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশাল বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয়, প্রাথমিক শিক্ষা আয়োজিত ‘বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে তিনটি বিভাগে(সিলেট,ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম)  এ ধরনের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সেখান থেকে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে। চলতি মাসের মধ্যে দেশের সব বিভাগে কর্মশালা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব কর্মশালা থেকে পাওয়া মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে আগামী এক মাসের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। এই নীতিমালার আলোকে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁদের দায়িত্ব পালন করবেন এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম আরও সমন্বিত, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলকভাবে পরিচালিত হবে।

প্রাথমিক শিক্ষার প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব ও কার্যক্রম আরও সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ ও পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে বিভাগীয় উপপরিচালক (ডিডি), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও), সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও), প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকসহ প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে একটি অভিন্ন কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়বে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

শিক্ষার মানোন্নয়নে অবকাঠামো ও গুণগত শিক্ষার সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু পাঠ্যবই বিতরণ বা শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করলেই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত হবে না। এর সঙ্গে শ্রেণিকক্ষের উপযুক্ত আয়তন, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, নিরাপদ ও সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি জাতীয় কারিকুলাম যথাযথভাবে অনুসরণ, যুগোপযোগী শিক্ষা পদ্ধতির প্রয়োগ, দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করাও জরুরি।

একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের ভিত্তি গড়ে ওঠে প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে। তাই মানসম্মত, আধুনিক ও শিশুবান্ধব প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ পুরো প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারকে দায়িত্বশীল ও সমন্বিত ভূমিকা পালন করতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা, বরিশাল  বিভাগের উপপরিচালক নিলুফার ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের  পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব(প্রশাসন-১) এবং বরিশাল  বিভাগের সকল জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ বিভাগের শিক্ষা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।