খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতিবিরোধী সেমিনার অনুষ্ঠিত

মোস্তাফিজুর রহমান রানা 
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতিবিরোধী সেমিনার অনুষ্ঠিত

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশে দুর্নীতি ও দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম:কার্যকর পরিবর্তনের সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ,শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

আজ শনিবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

 

সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ডঃইফতেখারুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য দেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডঃমোঃহাবিবুল্লাহ।

 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবঃ) মোঃখালেদ বিন ইউসুফ, স্কুল অব আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সের ডিন অধ্যাপক মো. শহীদুর রহমান এবং বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

 

সেমিনারে ডঃইফতেখারুজ্জামান তাঁর বক্তব্যে সুশাসন ও গণতান্ত্রিক শাসনের ধারণা এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন,গণতান্ত্রিক শাসনের মূল ভিত্তি হলো জনগণের সার্বভৌমত্ব, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন এবং সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। এই মৌলিক নীতিগুলো দুর্বল হলে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত হয়।

 

তিনি দুর্নীতির বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি ও বহুমাত্রিক প্রভাব তুলে ধরেন। বিশেষ করে ক্ষুদ্র দুর্নীতির সামাজিক ও অর্থনৈতিক মূল্য এবং শিক্ষা খাতে দুর্নীতির কারণে শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, সে বিষয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া দুর্নীতির রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষতি এবং দুর্নীতির সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সম্পর্ক নিয়েও তিনি আলোকপাত করেন। দুর্নীতি কীভাবে একের পর এক সমস্যা তৈরি করে দুর্নীতির দুষ্টচক্র সৃষ্টি করে, তাও ব্যাখ্যা করেন তিনি।

 

দুর্নীতি মোকাবিলায় বাংলাদেশের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে ডঃইফতেখারুজ্জামান বলেন, ন্যায়বিচারের প্রতি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে আকাঙ্ক্ষা রয়েছে, তা একটি বড় সুযোগ। একই সঙ্গে তিনি জুলাই সনদকে পরিবর্তনের সম্ভাব্য প্রেক্ষাপট হিসেবে উল্লেখ করেন।

 

দুর্নীতি প্রতিরোধে জাতীয় শুদ্ধাচার ব্যবস্থা কার্যকর করার পাশাপাশি রাষ্ট্র ও সমাজের সকল অংশকে সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে দুর্নীতিবিরোধী উদ্যোগ নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

 

তিনি বলেন,দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমকে শুধু কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব হিসেবে দেখলে কার্যকর ফল পাওয়া কঠিন। এর জন্য রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের বিভিন্ন অংশকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

 

সেমিনারে দুর্নীতি পরিমাপের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়েও আলোচনা করেন তিনি। দুর্নীতির প্রকৃতি ও ব্যাপ্তি সঠিকভাবে পরিমাপ করা এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে দুর্নীতিবিরোধী নীতি গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি জোর দেন।

 

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য দেন অধ্যাপক মো. শহীদুর রহমান।

 

আয়োজকরা জানান,এ ধরনের আলোচনা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুর্নীতি ও সুশাসন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।