খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

দেশীয় এলএসডি ভ্যাকসিনে সুরক্ষিত হবে গবাদিপশু, কমবে খামারিদের ক্ষতি: কৃষিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ণ
দেশীয় এলএসডি ভ্যাকসিনে সুরক্ষিত হবে গবাদিপশু, কমবে খামারিদের ক্ষতি: কৃষিমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, গবাদিপশুর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) ছড়িয়ে পড়লে খামারিরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। দেশের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত ভাইরাল এলএসডি ভ্যাকসিন এই রোগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে- সুরক্ষিত হবে গবাদিপশু। দেশীয় প্রযুক্তিতে উৎপাদিত ভ্যাকসিন বাজারজাত হলে খামারিদের ব্যয় কমবে, সহজলভ্যতা বাড়বে এবং প্রাণিসম্পদ খাত আরও টেকসই হবে।

৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার রাইচু ঈদগাঁহ মাঠ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এর আয়োজনে বিএলআরআই উদ্ভাবিত লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) ও গোটপক্স ভ্যাকসিনের ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন এবং টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রতি বছর প্রায় আড়াই কোটি ডোজ এলএসডি ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হয়। এতদিন বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ভ্যাকসিনের ওপর নির্ভর করতে হতো- এখন দেশেই এই ভ্যাকসিনের উদ্ভাবন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি খামারিদের উদ্দেশে বলেন, গবাদিপশুকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত টিকাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এলএসডি’র বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী টিকা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। একটি খামারে রোগ দেখা দিলে দ্রুত তা অন্য পশুতেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

বিএলআরআই উদ্ভাবিত নতুন ঘাসের জাতটিতে প্রায় ১৮ শতাংশ প্রোটিন রয়েছে। এই ঘাস চাষ করলে খামারিরা কম খরচে উন্নতমানের পশুখাদ্য উৎপাদন করতে পারবেন এবং দানাদার খাদ্যের ওপর নির্ভরতা কমবে।দেশের ঐতিহ্যবাহী ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে সরকার নতুন কর্মসূচি গ্রহণ করছে। এর আওতায় ইউনিয়নভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি, প্রশিক্ষণ প্রদান, উন্নত জাতের ছাগল সরবরাহ এবং বিপণন সহায়তা দেওয়া হবে। আর নারী ও যুব উদ্যোক্তাদের এ কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বাংলাদেশের অন্যতম মূল্যবান প্রাণিসম্পদ সম্পদ। এর মাংস ও চামড়ার আন্তর্জাতিক বাজার রয়েছে। পরিকল্পিত সম্প্রসারণ ও বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই খাত গ্রামীণ অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: শাহজামান খান। এসময় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও বিএলআরআইয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি তাজুল ইসলাম-সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক প্রাণিসম্পদ খামারি উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের লাম্পি স্কিন  ডিজিজ এবং গোটপক্সের প্রাদুর্ভাবের সার্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সার্বিক সহায়তায় আজকের ক্যাম্পেইনের আওতায় ২০০০ ডোজ এলএসডি ভ্যাকসিন ও ১০০ ডোজ গোটপক্স ভ্যাকসিন উপজেলার গবাদিপশুতে প্রয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।