খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বাংলাদেশ সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার নীতিতে বিশ্বাসী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার নীতিতে বিশ্বাসী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি: নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বার্তা নিয়ে জাতিসংঘে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার বৈঠকের সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ।

৫ সেপ্টেম্বর শনিবার নগরীর একটি হোটেলে সিলেটে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।এ সময়  উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের দিন-তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এ নিয়ে আলোচনা চলছে।জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানান তিনি। ভারতের সঙ্গে হাজার সমস্যা থাকলেও আলোচনার পথ বন্ধ নয়। প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্কই থাকা উচিত।

বাংলাদেশ সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার নীতিতে বিশ্বাসী। বেইজিং, ওয়াশিংটন, মধ্যপ্রাচ্য এবং রাশিয়ার সঙ্গেও সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা করা হচ্ছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নির্বাচনে জয়লাভ এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশের বৈশ্বিক দৃশ্যমানতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।

মক্কা চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। এতে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের জন্য অস্বাভাবিক নয়। অনেক দেশই এখন একাধিক নিরাপত্তা জোটে থাকছে। জাতীয় স্বার্থের প্রয়োজনে যা করা দরকার তাই করা হবে।বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী বরাবরই অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে এবং অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করেছে, যা আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসা পেয়েছে। মুসলিম বিশ্বসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। এজন্য মক্কা চুক্তি বা এ জাতীয় উদ্যোগে আমাদের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বোয়িং কেনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বোয়িং কিনতে হবে—এটা কেউ চাপিয়ে দিচ্ছে না। চাহিদা আছে বলেই আমেরিকা থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে, প্রয়োজনে আরও কেনা হবে।বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব বা গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যার জন্য উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নতুন বিমান বা ফ্লিট যুক্ত করার প্রয়োজন রয়েছে। দেশের ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক চাহিদা অনুযায়ী বোয়িং বা এয়ারবাস সংগ্রহ করা হবে।

আওয়ামী আমলের সিন্ডিকেটের কারণে মালয়েশিয়ায় শ্রমশক্তি রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। বর্তমান সরকার সেই সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছে। ধাপে ধাপে শ্রমশক্তি রপ্তানি হবে।প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরের ফলে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে রাজনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং শ্রমবাজারের নানা সিন্ডিকেট ভেঙে ফেলার কাজ চলছে।

বিগত ১৫-১৬ বছরে জ্বালানি খাত সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি ও অবহেলার শিকার হয়েছে। বর্তমান সরকার এই খাতকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করছে।শুধু মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভর না করে জ্বালানি আমদানির উৎস আরও বহুমুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ভিসা কেন্দ্র এবং প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।