খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গ্রাম বাংলার চিরচেনা সৌন্দর্য বিলীন—বিলুপ্তির পথে কাশফুল

মশিয়ার রহমান
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৮ অপরাহ্ণ
গ্রাম বাংলার চিরচেনা সৌন্দর্য বিলীন—বিলুপ্তির পথে কাশফুল

বাংলার প্রকৃতিতে শরৎকাল মানেই শুভ্র কাশফুলের দোল খাওয়ার দৃশ্য। নদীর তীর, পতিত জমি কিংবা গ্রামের ঝোপঝাড়—সব জায়গাতেই কাশফুলের স্নিগ্ধতায় ভরে উঠত গ্রামবাংলা। কিন্তু নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় সেই চিরচেনা দৃশ্য এখন প্রায় বিরল।

এক সময় শরৎ এলেই তিস্তার পাড়ে কিংবা চরাঞ্চলে বিস্তীর্ণ কাশবন দর্শনার্থীদের বিমোহিত করত। বিশেষ করে জলঢাকার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের বুড়িতিস্তা নদীর পাড়, ভাবনচুর চর ও ডাউয়াবাড়ী এলাকায় কাশফুলের অপরূপ দৃশ্য ছিল চোখে পড়ার মতো। বর্তমানে এসব স্থানে অল্প কিছু কাশফুল থাকলেও তা বিচ্ছিন্ন ও সংখ্যা একেবারেই নগণ্য। একই অবস্থা জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও।

স্থানীয়রা জানান, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কৃষি জমি সম্প্রসারণ, বসতি বিস্তার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার ফলে নদীর তীর ও পতিত জমি কেটে ফেলা হচ্ছে। এতে হারিয়ে যাচ্ছে কাশবনসহ প্রাকৃতিক অনেক ঐতিহ্য। ফলে গ্রামীণ জীবনের অপরিহার্য অংশ কাশফুল আজ বিলুপ্তির পথে।

প্রকৃতিপ্রেমীদের মতে, সামান্য সচেতনতা ও সংরক্ষণ উদ্যোগ নিলে কাশবনকে রক্ষা করা সম্ভব। শুধু কাশফুলই নয়, এভাবে টিকে যাবে গ্রামবাংলার অন্যান্য প্রাকৃতিক ঐতিহ্যও।

ভাবনচুর চর গ্রামের কবির হোসেন বলেন, “আগে বর্ষা-শরৎ এলে তিস্তার পাড়জুড়ে কাশফুলে ভরে যেত। এখন সেই দৃশ্য আর চোখে পড়ে না।”

মানবাধিকারকর্মী জাহাঙ্গীর কবির জানান, কাশ দিয়ে আগে গ্রামের গৃহস্থরা ঝাঁটা, ঝুড়ি, এমনকি ঘরের ছাউনি পর্যন্ত বানাতেন। এখন কাশফুল না থাকায় সেই গ্রামীণ জীবনযাত্রার ঐতিহ্যও হারিয়ে যাচ্ছে।

কাশবন মূলত গোত্রীয় এক ধরনের ঘাস, যা ৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এর চিরল পাতা ধারালো এবং নদীর ধারে কিংবা চরাঞ্চলে বেশি জন্মে। অথচ প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট হওয়ার কারণে আজ গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে মিশে থাকা এই সৌন্দর্য হারিয়ে যাচ্ছে নীরবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।