খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

দেশের উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গবেষণায় বিনিয়োগের বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ণ
দেশের উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গবেষণায় বিনিয়োগের বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গবেষণায় বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের যেসব দেশ উন্নতি করেছে, তারা শিক্ষা, গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনের পেছনে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। মেধাবী মানবসম্পদ গড়ে তোলার পাশাপাশি এসব খাতে বিনিয়োগ দেশের উন্নয়নের শক্ত ভিত্তি তৈরি করে।

তিনি আজ (মঙ্গলবার) সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (SUST) অডিটোরিয়ামে সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও সদর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা-২০২৬-এ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আগামী দিনের বাংলাদেশকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে মেধার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের শুধু নিজেদের সাফল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পরিবার, বন্ধু ও সমাজের অন্যদেরও সঠিক পথে চলতে উৎসাহিত করতে হবে। মাদক থেকে দূরে থেকে জ্ঞান, শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ ঘটছে। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে তরুণদের নতুন প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সিলেটে একটি এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা শিগগিরই সিলেট সফর করবেন। এর মাধ্যমে মেধাবী ও সম্ভাবনাময় তরুণরা এআইসহ আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক তরুণ ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন। সিলেটেও অনেক ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন, যারা মাসে কয়েকশ থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করছেন। এই সুযোগ আরও বিস্তৃত করতে হবে, যাতে মেধাবী ও সম্ভাবনাময় তরুণরা আধুনিক প্রযুক্তি ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের জ্ঞান অর্জন করে নিজেদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় অবদান রাখতে পারেন।

সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাই রাফিন সরকার এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সিলেট অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক দিদার চৌধুরী। এসময় সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেইন, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াতসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সংবর্ধিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।