খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গ্রাহকের উন্নত সেবা নিশ্চিতে কল সেন্টার চালু করেছে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ
গ্রাহকের উন্নত সেবা নিশ্চিতে কল সেন্টার চালু করেছে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স

বিশেষ প্রতিনিধি: গ্রাহকদের দ্রুত, সহজ ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি. আনুষ্ঠানিকভাবে কল সেন্টার চালু করেছে। এর মাধ্যমে পলিসিহোল্ডারদের সঙ্গে আরও সহজ ও কার্যকর যোগাযোগ স্থাপন এবং পলিসি সার্ভিসিং-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দ্রুত প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি.-এর প্রধান কার্যালয়ে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোঃ জালালুল আজিম কল সেন্টারটির উদ্বোধন করেন। এ সময় কোম্পানির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএফও চন্দ্র শেখর দাস, এফসিএসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এখন থেকে প্রগতি লাইফের সম্মানিত পলিসিহোল্ডারগণ তাঁদের পলিসি সার্ভিসিং-সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য, জিজ্ঞাসা, সমস্যা বা সেবার প্রয়োজন হলে কল সেন্টারে যোগাযোগ করতে পারবেন।

কল সেন্টার হটলাইন: +৮৮০৯৬১০৯১০০৭৫ সেবার সময়: সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা (শুক্রবার, শনিবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত) কল সেন্টার উদ্বোধনকালে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোঃ জালালুল আজিম বলেন, “এই কল সেন্টারের মাধ্যমে আমাদের পলিসিহোল্ডারদের সঙ্গে আরও সহজ ও কার্যকর যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে। তাঁদের যেকোনো প্রশ্ন, সমস্যা বা সেবার প্রয়োজনকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করব এবং দ্রুত সমাধান দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।” তিনি আরও বলেন, “গ্রাহকদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব শুধু একটি পলিসি বিক্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পলিসির পুরো মেয়াদজুড়ে তাঁদের প্রয়োজনের সময় পাশে থাকা এবং সময়মতো সেবা নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব। এই কল সেন্টার সেই দায়িত্বশীলতারই একটি অংশ। প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স মনে করে, সহজে যোগাযোগের সুযোগ এবং দ্রুত সেবা গ্রাহকদেও আস্থা ও সন্তুষ্টি বৃদ্ধিতে সহায়ক। গ্রাহকদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর ও সহজলভ্য সেবা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভবিষ্যতেও সেবার মান আরও উন্নত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে স্পেনের শুভসূচনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে স্পেনের শুভসূচনা

ঢাকার ডাক স্পোর্টস: ক্যারিয়ারে প্রথমবার ওয়েম্বলিতে খেলতে নেমে প্রতিপক্ষের উপহার পেয়ে দ্বিতীয় মিনিটেই গোল করলেন লামিন ইয়ামাল। অবশ্য প্রথমার্ধেই চার মিনিটের এক ঝড়ে দুই গোল করে পাল্টা জবাব দিল ইংল্যান্ড। দুই বদলি খেলোয়াড়ের গোলে জিতে নেশন্স লিগ অভিযান শুরু করল স্পেন।প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে শনিবার রাতে ৩-২ গোলে জিতেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।

ইয়ামালের গোলে পিছিয়ে পড়া ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরান অ্যান্থনি গর্ডন। একটু পর স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন কেইন। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তার ওই পেনাল্টি মিসের হতাশা। একসঙ্গে বদলি নেমে স্পেনের পরের দুটি গোল করেন অ্যালেক্স বায়েনা ও মিকেল ওইয়ারসাবাল।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে টানা অপরাজেয় রেকর্ড যাত্রা ৩৯ ম্যাচে নিয়ে গেল স্পেন। সবশেষ হারের তেতো স্বাদ পায় তারা ২০২৪ সালের মার্চে, কলম্বিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে। প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে তাদের সবশেষ হার তো সেই ২০২৩ সালের মার্চে, ইউরো বাছাইয়ে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। এ লিগের তিন নম্বর গ্রুপের ম্যাচটিতে বল দখল ও আক্রমণে দুই দলই ছিল প্রায় সমানে-সমান। গোলের জন্য স্পেনের ১৫ শটের পাঁচটি ছিল লক্ষ্যে, আর ইংল্যান্ডের ১৩ শটের পাঁচটি লক্ষ্য ছিল।

লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের শুরুটা হয় দুঃস্বপ্নের মতো। দলটির ডিফেন্ডার মার্ক গেয়ি নিজেদের বক্সের বাইরে বল পেয়ে বিপদমুক্ত না করে গোলরক্ষকের দিকে ঘুরে দাঁড়ান। ঠিক তার পেছনেই যে ইয়ামাল ওত পেতে আছেন, সেদিকে যেন খেয়ালই করেননি তিনি। প্রতিপক্ষের থেকে বল কেড়ে নিয়ে বক্সে ঢুকে এগিয়ে আসা গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে শট নেন ১৯ বছর বয়সি খেলোয়াড়। বল পোস্টের ভেতরের দিকে লেগে জালে জড়ায়।

ইয়ামালের দ্বিতীয় মিনিটের গোলটি ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোনো দলের তৃতীয় দ্রুততম। অষ্টম মিনিটে ইংল্যান্ডের জালে বল জড়ায় আবার। ফাবিয়া রুইসের ক্রসে বক্সে প্রথম স্পর্শে ভলিতে লক্ষ্যভেদ করেন বিশ্বকাপ ফাইনালে বদলি নেমে একমাত্র গোলটি করা ফেররান তরেস। কিন্তু তিনি অফসাইডে থাকায় গোল মেলেনি।

ষোড়শ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করেন তরেস। ইয়ামালের থ্রু বল ধরে বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। তার সামনে একমাত্র বাধা ছিল গোলরক্ষক। পিএসজি স্ট্রাইকারের প্রচেষ্টা এগিয়ে এসে রুখে দেন জেমস ট্র্যাফোর্ড।২৭তম মিনিটে আরেকটি সুযোগ নষ্ট করেন তরেস। রদ্রির পাস ধরে বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি, এবারও সামনে ছিল কেবল গোলরক্ষক, কিন্তু বাইরে মেরে বসেন বার্সেলোনার সাবেক এই খেলোয়াড়।

ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের মধ্যে শুরু থেকে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন যিনি, সেই গর্ডন সমতা টানেন ৩৬তম মিনিটে। নিজেদের অর্ধে ব্যাকহিল ফ্লিকে জুড বেলিংহ্যামের উদ্দেশ্যে বল বাড়িয়ে এগিয়ে যান তিনি। রেয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডারের ফিরতি পাস ধরে বক্সের বাইরে থেকে শটে উনাই সিমনকে পরাস্ত করেন বার্সেলোনার উইঙ্গার।

৪০তম মিনিটে ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেইয়ার ভুলে দ্বিতীয় গোল হজম করে স্পেন। বাঁ দিকের বাইলাইনের কাছ থেকে নিকো ও’রাইলির দারুণ ক্রসে বক্সে হেড করেন কেইন, আটকানোর চেষ্টায় পা বাড়ান কুকুরেইয়া, তার ঊরুতে পড়ে বল জালে জড়ায়।বিশ্বকাপে আট ম্যাচে স্রেফ একটি গোল হজম করে স্পেন, আর এখানে চার মিনিটের মধ্যে দুই গোল খেয়ে বসে তারা।দ্বিতীয়ার্ধের ষষ্ঠ মিনিটে বেলিংহ্যামকে বক্সে রদ্রি ফাউল করলে মনিটরে দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। কিন্তু কেইনের স্পট কিক ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। শট নেওয়ার মুহূর্তে কিছুটা পা পিছলে যায় ইংল্যান্ড অধিনায়কের।

৫৫তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামস ও তরেসকে তুলে বায়েনা ও ওইয়ারসাবালকে নামান স্পেন কোচ।মাঠে নামার চার মিনিট পরই দলকে সমতায় ফেরান বায়েনা। ডান দিক থেকে দানি ওলমোর পাস বক্সের বাইরে পেয়ে জোরাল শটে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।৭৪তম মিনিটে দলের পরের গোলেও জড়িয়ে আছে বায়েনার নাম। তার পাস বক্সে পেয়ে এগিয়ে আসা গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ওইয়ারসাবাল।

৪৭তম মিনিটে চমৎকার এক গোলে দলকে এগিয়ে নেন ৪১ বছর বয়সি ক্রোয়াট অধিনায়ক লুকা মদ্রিচ। ৫৪তম মিনিটে কারাবেকের গোলে ম্যাচে ফেরে স্বাগতিকরা। ৭৭তম মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন মারিও পাসালিচ।