খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশ থেকে জঙ্গিরাও পালিয়ে গেছে : সেলিম উদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫, ৩:২৭ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশ থেকে জঙ্গিরাও পালিয়ে গেছে : সেলিম উদ্দিন

শেখ হাসিনা সবচেয়ে বড় জঙ্গিবাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দাতা বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। রাজধানীর উত্তরখানে জামায়াতে ইসলামী উত্তরখান পশ্চিম থানার উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সেলিম উদ্দিন বলেন, ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে আমরা পরিবর্তিত বাংলাদেশে বসবাস করছি। পতিত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে আমরা উন্নয়নের গালগল্প শুনেছি। যেন উন্নয়ন মহাকাশ ছুঁয়ে গেছে। ফ্যাসিবাদীদের ভাষায়, দেশে রাজাকার আর জঙ্গি ছাড়া কোনো সমস্যা ছিল না। অথচ দেশে এখন কোনো জঙ্গি নেই বরং শেখ হাসিনার সঙ্গে এদেশ থেকে জঙ্গিরাও পালিয়ে গেছে। কিন্তু তারা এই জঙ্গিবাদের ধোঁয়া তুলেই দেশ বরেণ্য আলেম-ওলামা, মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক এবং দাঁড়ি-টুপিওয়ালাদের ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়ে বিশ্ব দরবারে তাদের অসম্মান ও হেয়-প্রতিপন্ন করেছে। তাই এই পতিত স্বৈরাচারকে যে কোনো মূল্যে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। অন্যথায় দেশে জঙ্গিবাদী নাটকের নেপথ্য কথা জানা যাবে না। তিনি পলাতক শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে সরকারকে বলিষ্ঠ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

 

তিনি বলেন, আগস্ট বিপ্লবের পরও আমরা খুব একটা ভালো নেই। আমাদের সমস্যা যে তিমিরে ছিল সে তিমিরেই রয়ে গেছে। কারণ, পতিত ফ্যাসিবাদের প্রতিভূরা রাষ্ট্রের বিভিন্ন সেক্টরে এখনো সক্রিয়। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেনি। দেশে দ্রব্যমূল্যের লাগাম টানা যায়নি। কৃষিপণ্যের মূল্য আকাশচুম্বী হলেও কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের নায্যমূল্য পাচ্ছেন না। অথচ বাজারে নিত্যপণ্যের অগ্নিমূল্য। সবকিছুই স্বৈরাচারের সিন্ডিকেট, টেন্ডারবাজ ও চাঁদাবাজদের নিয়ন্ত্রণেই রয়ে গেছে। আর এসব সিন্ডিকেট, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিলেন শেখ হাসিনাসহ তার সরকারের শীর্ষনেতা থেকে শুরু করে অতিনেতা-পাতি নেতারা। দেশে দ্রুত সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও বাজার নিয়ন্ত্রণে অন্তর্বর্তী সরকার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তাদের ভয় পাবার কোনো কারণ নেই বরং দেশের জনগণ তাদের সঙ্গেই রয়েছে। তিনি সব প্রকার রাজনীতি ও ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে ওঠে সরকারকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। জাতি চিরদিন তাদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।