খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

অনলাইন ডেস্ক

গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বাইডেন-নেতানিয়াহুর ফোনালাপ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ১২:৪৯ অপরাহ্ণ
গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বাইডেন-নেতানিয়াহুর ফোনালাপ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রবিবার(১২ জানুয়ারি)কাতারের রাজধানী দোহায় চলমান গাজার সংকট নিয়ে ফোনে কথা বলেছেন। আলোচনার মূল লক্ষ্য গাজায় যুদ্ধবিরতি ও মানবিক সহায়তার প্রসার নিশ্চিত করা। হোয়াইট হাউস জানায়, প্রেসিডেন্ট বাইডেন গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “যুদ্ধবিরতি এবং মানবিক সহায়তার প্রসার একটি চুক্তি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” এছাড়াও, বন্দি বিনিময় এবং গাজায় অবরোধ অবসানের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

নেতানিয়াহু এই সময় বাইডেনের আজীবন ইসরায়েল সমর্থনের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান এবং ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের অসাধারণ ভূমিকার প্রশংসা করেন। ফিলিস্তিনের  গাজা সংকটের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় চলা বন্দি বিনিময় আলোচনা কয়েকবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। নেতানিয়াহুর নতুন শর্ত আরোপের কারণে এই আলোচনায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। ইসরায়েলি বিরোধী দল এবং বন্দিদের পরিবারের সদস্যরা নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং বন্দি বিনিময় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগ তুলেছে।

এদিকে, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ৪৬,৫০০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার বেশিরভাগই নারী ও শিশু। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের যুদ্ধবিরতির আহ্বান সত্ত্বেও এই হামলা অব্যাহত রয়েছে। নভেম্বরে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (আইসিসি) নেতানিয়াহু ও তার প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গালান্টের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

গাজায় চলমান মানবিক সংকট সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকরী পদক্ষেপের প্রয়োজন। যুদ্ধবিরতি এবং বন্দি বিনিময় চুক্তি এই সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে, সঠিক রাজনৈতিক সদিচ্ছাই পারে এই চুক্তি কার্যকর করতে। তথ্যসূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।