খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ক্রেডিট কার্ডে বাংলাদেশে খরচ বাড়িয়েছেন বিদেশিরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
ক্রেডিট কার্ডে বাংলাদেশে খরচ বাড়িয়েছেন বিদেশিরা

ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে নভেম্বরে বাংলাদেশে বিদেশিদের লেনদেন বা খরচ বেড়েছে। মাসটিতে বিদেশি নাগরিকরা ক্রেডিট কার্ডে বাংলাদেশে খরচ বাড়িয়েছেন ৫৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ। নভেম্বরে বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশিরা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে খরচ করেছেন ২০২ কোটি টাকা। যা আগের মাস অক্টোবরে ছিল ১২৯ কোটি টাকা। সে হিসাবে নভেম্বরে বিদেশিদের খরচ বেড়েছে ৭৩ কোটি টাকা।

তবে নভেম্বরে দেশে ও বিদেশে ক্রেডিট কার্ডে মোট লেনদেন কমেছে। ওই মাসটিতে দেশের বাইরে ক্রেডিট কার্ডে মোট খরচ হয়েছে ৪৩১ কোটি টাকা, যা অক্টোবরে ছিল ৪৯৯ কোটি টাকা। একই মাসে দেশের ভেতরে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা, যা আগের মাসে ছিল ২ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা।

সে হিসাব এক মাসের ব্যবধানে দেশের ভেতরে লেনদেন কমেছে ৭৩ কোটি এবং দেশের বাইরে কমেছে ৬৮ কোটি টাকা। শতাংশের হিসাবে নভেম্বরে দেশের ভেতরে ক্রেডিট কার্ডে লেনদেন কমেছে ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ আর দেশের বাইরে কমেছে ১৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবরে দেশের ভেতর ক্রেডিট কার্ডে লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা। আর পরের মাস নভেম্বরে হয়েছে ২ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে নভেম্বরে কার্ডে লেনদেন কমেছে ৭৩ কোটি টাকা।

এসব লেনদেনের মধ্যে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে খরচ হয়েছে ১ হাজার ৩৩৩ কোটি, খুচরা দোকানে ৪০৬ কোটি, ইউটিলিটি বাবদ ২৪৬ কোটি, নগদ উত্তোলন ১৯৬ কোটি, ফার্মেসিতে ১৬৪ কোটি, কাপড় কেনায় ১৪৮ কোটি, ফান্ড স্থানান্তর ৭৫ কোটি, পরিবহনে ৯৮ কোটি, বিজনেস সার্ভিসে ৫৭ কোটি, প্রফেশনাল সার্ভিসে ২১ কোটি ও সরকারি সেবায় খরচ হয়েছে ৪৩ কোটি টাকা।

দেশের ভেতরে নভেম্বরে ভিসা কার্ডের মাধ্যমে ১ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা, মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে ৫১৫ কোটি টাকা, অ্যামেক্সের মাধ্যমে ২৯৫ কোটি টাকা, ডিনার্সের মাধ্যমে ২ কোটি টাকা ও কিউক্যাশ প্রোপ্রাইটরের মধ্যে খরচ হয়েছে ১ কোটি টাকা।

বিশ্বজুড়েই দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে ক্যাশলেস মাধ্যম। ২০২৭ সালের মধ্যে দেশে সামগ্রিক লেনদেনের তিন-চতুর্থাংশ ক্যাশলেস করার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিভিন্ন ফাইন্যান্সিয়াল এবং নন-ফাইন্যান্সিয়াল ব্যাংক বিভিন্ন অ্যাপ এবং অন্য ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে। জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি ও ডিজিটাল করার জন্য কার্ড অনস্বীকার্য। ক্যাশ রিসাইক্লিং মেশিনে (সিআরএম) রেকর্ড টাকা লেনদেন এবং পয়েন্ট অব সেলসের (পিওএস) মাধ্যমেও আগের চেয়ে বেশি কেনাকাটা করছেন গ্রাহক।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।