খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ডিপিএস-এফডিআরে কোন ব্যাংকে কত মুনাফা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
ডিপিএস-এফডিআরে কোন ব্যাংকে কত মুনাফা

কোন ব্যাংকে কষ্টার্জিত অর্থ রাখলে একটু বেশি মুনাফা মিলবে, এটি যেমন গ্রাহকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তেমনি কীভাবে কী পরিমাণ অর্থ রাখবেন এটাও গুরুত্বপূর্ণ। যেমন প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা রাখার নাম হলো ডিপোজিট পেনশন স্কিম বা মাসিক সঞ্চয় প্রকল্প (ডিপিএস)। বিভিন্ন ব্যাংকে ডিপিএসের ভিন্ন ভিন্ন নাম রয়েছে। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলো মাসিক, ত্রৈমাসিক, ছয় মাসিক ও বাৎসরিক সুদ বা মুনাফা দিয়ে থাকে। এছাড়া গ্রাহকের জন এফডিআর করার সুযোগ রয়েছে। এতে সর্বনিম্ন তিন মাস থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময়ের জন্য ব্যাংকগুলোতে সঞ্চয় করার সুযোগ থাকে। এসব সঞ্চয়ের বিপরীতে যে সুদ দেয়, তার নাম স্থায়ী আমানতে সুদের হার বা এফডিআর (ফিক্সড ডিপোজিট রেট)। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে দেশের বিদ্যমান ৬১টি ব্যাংকের সুদের হার ভিন্ন ভিন্ন দেখা গেছে। এফডিআরে বিভিন্ন মেয়াদে ৩ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে ব্যাংকগুলো। রাষ্ট্রমালিকানাধীন ও বিশেষায়িত মিলে দেশের ৯টি ব্যাংকে এফডিআরে বিভিন্ন মেয়াদে ৩ থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১০ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে। আর সাধারণ ডিপোজিটে সুদের হার ৩ থেকে সাড়ে ৪ শতাংশ পর্যন্ত।

সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে রাষ্ট্রমালিকানাধীন বেসিক ব্যাংক। ব্যাংকটি তিন থেকে ছয় মাসের কম সময়ের সুদ দিচ্ছে ৭ থেকে ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ পর্যন্ত। ছয় মাস থেকে এক বছরের কম সময়ের জন্য ব্যাংকটি দিচ্ছে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ, এক বছর থেকে তিন বছর মেয়াদি সময়ের সুদ সাড়ে ৭ থেকে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। আর তিন বছরের বেশি সময়ের ডিপোজিটের জন্য ১০ দশমিক ৬৭ শতাংশ সুদ দিচ্ছে বেসিক ব্যাংক। এছাড়া ৬ দশমিক ৩২ থেকে ৯ শতাংশ পর্যন্ত আমানতকারীদের সুদ দিচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, অগ্রণী, রূপালী, জনতা, বিডিবিএল, পিকেবি, রাকাব এবং বিকেবি। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে চতুর্থ প্রজন্মের নতুন ব্যাংকগুলো। এসব ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে- মিডল্যান্ড, মেঘনা, পদ্মা ব্যাংক, ইউনিয়ন, মধুমতি, এসবিএসি প্রবাসী উদ্যোক্তাদের এনআরবি ব্যাংক, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক, সিটিজেন ও গ্লোবাল ইসলামী। এ ব্যাংকগুলোয় সাধারণ সঞ্চয় রাখলে ২ থেকে ৮ শতাংশ সুদ পাবেন গ্রাহক। মেয়াদি আমানতে মিলবে ৪ থেকে ১১ শতাংশ পর্যন্ত। চতুর্থ প্রজন্মের কিছু ব্যাংক মেয়াদি আমানতের ওপরে সর্বোচ্চ ১২ থেকে ১৩ শতাংশ সুদ দিচ্ছে গ্রাহকদের।

 

বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে এনআরবি ব্যাংক। তিন থেকে ছয় মাস সময়ের সুদ ৫ থেকে ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ, ছয় মাস থেকে এক বছরের বেশি সময়ের জন্য ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ সুদ দিচ্ছে ব্যাংকটি। তিন বছরের বেশি সময়ের আমানতের সুদ মিলছে ১২ থেকে ১৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ। সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক (এসএবিসি) তিন মাস থেকে তিন বছর বা তার বেশি সময়ের ফিক্সড ডিপোজিটে ৫ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে। তিন মাস থেকে তিন বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য ৯ দশমিক ৭৫ থেকে ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ সুদ দিচ্ছে এনআরবিসি। একই পরিমাণ সুদ দিচ্ছে বেঙ্গল ব্যাংক, সিটিজেন, মেঘনা এবং গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক। মেয়াদি আমানতে ১২ শতাংশ সুদ দিচ্ছে এবি ব্যাংক। এছাড়া ৭ থেকে ১১ শতাংশ সুদ দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, কমার্স ব্যাংক, আইএফআইসি, আইসিবি, মার্কেন্টাইল, প্রিমিয়ার, উত্তরা ও ন্যাশনালসহ বেশকিছু ব্যাংক।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।