খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ঐক্য-শান্তি ও কল্যাণ কামনা

শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১:৪৮ অপরাহ্ণ
শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব

টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমায় আখেরি মোনাজাতে মুসলিম উম্মার ঐক্য, শান্তি ও কল্যাণ কামনায় শেষ হলো তাবলিগ জামাত আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব।  রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ১১ মিনিটে আখেরি মোনাজাত শুরু হয়। শেষ হয় ৯.৩৫ মিনিটে। এবার ৫৮তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন তাবলিগ জামাতের মাওলানা জুবায়ের। তিনি আরবি ও বাংলা ভাষায় মোনাজাত করেন।  দীর্ঘ ২৪ মিনিটের মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মার ঐক্য, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। এর আগে হেদায়েতি বয়ান করা হয়। আল্লাহর দরবারে দুই হাত তুলে প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা চেয়ে কান্নার বুক ভাসায় দেশ-বিদেশের লাখো মুসল্লি। গোটা দুনিয়ায় পথভ্রষ্ট মুসলমানের সঠিক পথে চলা এবং তাবলিগের কাজে সবাইকে নিয়োজিত হওয়ার তাওফিক কামনা করা হয়।  মহান আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত প্রার্থনা করা হয় আখেরি মোনাজাতে। ইহলৌকিক ও পারলৌকিক কল্যাণ কামনায় দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লি স্রষ্টার দরবারে কান্নাকাটি করেন। লাখো কণ্ঠে উচ্চারিত হয় আমিন-আমিন ধ্বনি।

গত বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) বাদ মাগরিব ভারতের মাওলানা ইব্রাহিম দেওলার আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ৫৮তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। তিনি উর্দুতে বয়ান করেন। এর আগে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ইজতেমার ময়দানে এসে নিজ নিজ খিত্তায় অবস্থান নেয়। ইজতেমায় অংশ নেন বিভিন্ন দেশের কয়েক হাজার বিদেশি মুসল্লিও। তিন দিনের বয়ান শেষে তাবলিগ জামায়াতের সাথীরা দুই হাত তোলেন আল্লাহর দরবারে। তাদের পাশাপাশি আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন গাজীপুরসহ আশপাশ জেলা মুসল্লিরা।  রোববার ভোর থেকে ইজতেমা ময়দানে ছুটে যায় মুসল্লিরা। আখেরি মোনাজাতের সময় মুসল্লিরা ময়দানে জায়গা না পেয়ে আশপাশের সড়ক, ফ্লাইওভার, বিভিন্ন ভবনের ছাদ, নৌকা ও ব্রিজে দাঁড়িয়ে বসে আল্লাহর দরবারে হাত উঠান।  ৫৮ তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে অংশ নেন শুরায়ি নেজাম অনুসারীর তাবলিগ জামাতের মুসল্লিরা। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাদ মাগরিব শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। পরে বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে শুরায়ি নেজাম অনুসারীদের ইজতেমা।

এরপর ১৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে মাওলানা সাদ অনুসারীদের বিশ্ব ইজতেমা। পরে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ১৬ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে এবারের ৫৮তম বিশ্ব ইজতেমার সকল আনুষ্ঠানিকতা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।