খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ভারতের শেয়ারবাজারে ধস, রুপির রেকর্ড দরপতন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
ভারতের শেয়ারবাজারে ধস, রুপির রেকর্ড দরপতন

নতুন বাণিজ্যযুদ্ধের আশঙ্কায় সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। একইসঙ্গে, ইতিহাসের সর্ব নিম্ন নেমে গেছে ভারতীয় রুপি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডা, মেক্সিকো ও চীনের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে, ভারতসহ গোটা এশিয়ার অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ভারতীয় শেয়ারবাজারে ধস : সপ্তাহের প্রথমদিনই ভারতের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। নিফটি ৫০ সূচক ০.৯৩ শতাংশ কমে ২৩ হাজার ২৬৫ দশমিক ১ পয়েন্টে নেমে আসে। আর বিএসই সেনসেক্স ০.৮১ শতাংশ কমে ৭৬ হাজার ৮৭৪ দশমিক ৫৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। প্রভুদাস লিলাধারের পরামর্শক প্রধান বিক্রম কাসাত বলেন, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতির ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। বিশ্ব অর্থনীতির জন্য এটি মোটেই ইতিবাচক নয়। তার মতে, এই পরিস্থিতিতে বাজারের ভবিষ্যৎ প্রবণতা নির্ভর করবে বিনিয়োগকারীদের প্রতিক্রিয়ার ওপর।

সরকারি সংস্থাগুলোর দরপতন : সোমবার ভারতের সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোর শেয়ার সূচক ৪ শতাংশ নেমেছে, আর দুইদিনে তাদের পতন হয়েছে মোট ৭ শতাংশ। বাজেট ঘোষণার পর কোম্পানিগুলোর যে লাভ হয়েছিল, তা পুরোপুরি মুছে গেছে। এদিকে, লার্সেন অ্যান্ড টুব্রোর শেয়ার ৪ শতাংশ দর হারিয়েছে। গত শনিবারও তাদের দর ৩ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছিল। বিনিয়োগ বিশ্লেষকদের মতে, বাজেটে মূলধনী ব্যয়ের হার কম থাকায় ভারতের শিল্পখাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অন্য খাতগুলোতেও এর নেতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে। হিটাচি এনার্জি ও থারম্যাক্স যথাক্রমে ৮ শতাংশ ও ৭ শতাংশ দর হারিয়েছে।

তেল বিপণন সংস্থাগুলোর ক্ষতি : এদিন ভারত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ৫ শতাংশ, ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন ৩ শতাংশ এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ৭ শতাংশ দর হারিয়েছে।  প্রথমবার মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার মান ৮৭ রুপির নিচে নেমেছে বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান জেফারিজ জানায়, ২০২৫ অর্থবছরে এলপিজি ভর্তুকির কারণে তেল বিপণন কোম্পানিগুলোকে মোট লোকসানের ৬৯ শতাংশ বহন করতে হবে, যা তাদের মুনাফার সম্ভাবনা কমিয়ে দেবে।

ভারতীয় রুপির রেকর্ড দরপতন : ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতির ফলে মার্কিন ডলারের মূল্য বেড়ে গেছে, যার প্রভাব পড়েছে এশিয়ার মুদ্রাবাজারেও। সোমবার ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার মান প্রথমবারের মতো ৮৭ রুপির নিচে নেমেছে। এদিন লেনদেনের শুরুতেই রুপির মান ০.৫ শতাংশ কমে ৮৭ দশমিক ০৭-এ নেমে আসে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দিনের শেষে ভারতীয় রুপির মান আরও দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ট্রাম্প তার নির্বাহী আদেশে মেক্সিকো ও কানাডার বেশিরভাগ পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ এবং চীনের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। আগামী মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে এই নীতি।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।