চিংড়ি রপ্তানিতে সুবাতাস
জহিরের মতে, চিংড়ি শিল্পকে আরও চাঙা করতে হলে সরকারিভাবে রপ্তানিকারকদের ভর্তুকি দিতে হবে। বিদ্যুৎ ও অন্যান্য উৎপাদন খরচে ভর্তুকি দিতে হবে। ভেনামি চিংড়ি চাষ সহজতর করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের সাদা সোনাখ্যাত গলদা ও বাগদা চিংড়ি সনাতন, আধানিবিড়সহ নানা পদ্ধতিতে চাষ হয়। গত কয়েক বছর বিদেশে চিংড়ির বাজার দখল করে আছে ‘ভেনামি’ নামে এক ধরনের হাইব্রিড চিংড়ি, যা খুলনাঞ্চলেও বর্তমানে চাষ হচ্ছে। রপ্তানিকারকরা বলেন, দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখে চিংড়ি শিল্প। ইউরোপের দেশগুলোতে চিংড়ি ও অন্যান্য মাছের চাহিদা এবং মূল্য কমে গেছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারেও চাহিদা ও মূল্য কমে যাওয়ায় রপ্তানির ওপর প্রভাব পড়েছে। বিদেশের ক্রেতারা সময় মতো মূল্য পরিশোধও করেন না। আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে অনেকেই চিংড়ি রপ্তানি বন্ধ রেখেছিলেন। পাশাপাশি ভাইরাসের কারণেও খুলনাঞ্চলে চিংড়ি উৎপাদন কমেছে। তবে চিংড়ি রপ্তানি বেড়ে যাওয়ায় আশা করা যাচ্ছে উৎপাদনও বাড়বে।



আপনার মতামত লিখুন