খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

নিউরোসায়েন্স ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক দীন মোহাম্মদের পদত্যাগ

খান আহমেদ ইফতেখার, মেডিকেল ডেস্ক, ঢাকা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
নিউরোসায়েন্স ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক দীন মোহাম্মদের পদত্যাগ

চিকিৎসকদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস (নিন্স) ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী দীন মোহাম্মদ। দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করে বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। আবেদন গ্রহণ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা নিতে বলেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে স্বাস্থ্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে।

জানতে চাইলে দুপুরে অধ্যাপক ডা. কাজী দীন মোহাম্মদ দৈনিক ঢাকার ডাককে বলেন, ‘বিভিন্ন মহলে বলা হচ্ছে আমি চলে যাবো, আমি নিজেও বলছি, চলে যাবো।’

গত চার মাসে আগে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল থেকে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) নেতা অধ্যাপক ডা. গুরুদাস মন্ডলকে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বদলি করা হয়। সম্প্রতি তাঁকে আবার নিন্সে ফিরিয়ে আনা হলে এ নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।

এই আদেশের প্রতিবাদ ও বাতিলের দাবিতে বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাসপাতালের ৪০২ কক্ষে কর্মসূচিতে মিলিত হন চিকিৎসকরা। সেখানে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী আউটসোর্সিংয়ের লোকজন তাঁদের অবরুদ্ধ করে হামলা চালায়। হামলায় তিন চিকিৎসকসহ ১০ জন আহত হন।

হামলাকারীরা নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী দীন মোহাম্মদের অনুগত বলে অভিযোগ উঠেছে।

এর প্রতিবাদে জরুরি ও বহির্বিভাগের সেবা চালু রেখে হাসপাতালের নিয়মিত অস্ত্রোপচার বন্ধ ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। পরিচালক ডা. কাজী দীন মোহাম্মদ ও যুগ্ম পরিচালক অধ্যাপক ডা. বদরুল আলমকে অপসারণ না করা হলে আরও বড় কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তাঁরা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।