খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ভারতে ১০০ কোটি মানুষের বাড়তি খরচের ক্ষমতা নেই: রিপোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
ভারতে ১০০ কোটি মানুষের বাড়তি খরচের ক্ষমতা নেই: রিপোর্ট

বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারতের মোট জনসংখ্যা ১৪০ কোটির বেশি। কিন্তু এর মধ্যে প্রায় ১০০ মানুষ কোনো অতিরিক্ত পণ্য বা সেবার পেছনে অর্থ ব্যয় করতে পারে না। একটি নতুন গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম ব্লুম ভেঞ্চারসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে প্রকৃত ভোক্তা শ্রেণির পরিমাণ মাত্র ১৩ থেকে ১৪ কোটি, যা মূলত মেক্সিকোর জনসংখ্যার সমান। এছাড়া আরও ৩০ কোটি মানুষকে ‘উদীয়মান’ বা ‘উদ্বায়ী’ ভোক্তা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে তারা খুব হিসাব করে খরচ করে প্রতিবেদন অনুসারে, এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির ভোক্তা শ্রেণি সম্প্রসারিত না হয়ে বরং সীমিত গণ্ডির মধ্যেই ধনী ব্যক্তিদের আরও ধনী করে তুলছে। এর ফলে ভারতের অভিজাত শ্রেণি আরও বেশি সম্পদশালী হচ্ছে। কিন্তু নতুন করে ধনী মানুষের সংখ্যা খুব একটা বাড়ছে না।

 

এই প্রবণতার ফলে দেশটির ভোক্তা বাজারে বিশেষ পরিবর্তন এসেছে, যেখানে ‘প্রিমিয়ামাইজেশন’ বা উচ্চ মূল্যের পণ্য ও সেবার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। সাধারণ জনগণের জন্য গণহারে উৎপাদিত পণ্য সরবরাহের পরিবর্তে কোম্পানিগুলো বেশি দামের উন্নত পণ্যের দিকে ঝুঁকছে। এ প্রবণতা প্রতিফলিত হচ্ছে বিলাসবহুল আবাসন এবং প্রিমিয়াম ফোনের চাহিদায়, যেখানে সাধারণ ও নিম্ন-মূল্যের সংস্করণগুলোর বিক্রি কমছে। পাঁচ বছর আগেও ভারতের আবাসন বাজারের ৪০ শতাংশ ছিল সাশ্রয়ী মূল্যের ঘর, যা এখন কমে ১৮ শতাংশে নেমে এসেছে। একইভাবে, ব্র্যান্ডেড পণ্যের বাজারও সম্প্রসারিত হয়েছে এবং বিনোদন খাতে ব্যয়ের প্রবণতা বেড়েছে। আন্তর্জাতিক তারকা যেমন- কোল্ডপ্লে ও এড শিরানের কনসার্টের উচ্চমূল্যের টিকিট দ্রুত বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।

এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা বাড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পটে বেশি গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। রোববার ( ২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টায় নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে মেয়র এ কথা জানান। একই সঙ্গে নগরবাসীকে নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

 

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। এ কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও অন্যান্য পরিত্যক্ত সামগ্রীও দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। তাই দিনের বেলায় সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘুমানোর সময় সবসময় মশারি ব্যবহার করতে হবে।