খুলনায় মৎস্য ব্যবসায়ী জিয়াউরকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিল
ডুমুরিয়ার চেচুড়ী গ্রামের গাজী পাড়ার সরল সোজা মাছ ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান মোড়ল পিতা খবির মোড়ল কে গত রাত আনুমানিক ১১ টা থেকে ১২ঃ০০ টার মধ্যে পরিকল্পিত হত্যা করে হত্যাকারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
ডুমুরিয়া থানার এক নং ধামালিয়া ইউনিয়নের জিয়াউর রহমান মোড়ল পিতা খবির মোড়ল গতকাল দিন গত রাতে সন্ধ্যা সাতটা হতে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর রাত একটার সময় জিয়াউর রহমানের স্ত্রী তার শশুর কে জানাই জিয়াউর রহমান রাত একটা বেজে যাওয়ার পরেও বাড়িতে ফেরে নাই।
তারপর থেকে জিয়াউর রহমানকে তার আপন লোকজন ও প্রতিবেশীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরেরদিন আনুমানিক বেলা বারোটার দিকে ভবদহ নদীতে তার লাশ দেখতে পাওয়া যায় এবং স্থানীয় চেঁচুরি ফাঁড়ির পুলিশ কে সংবাদ জানালে ঘটনা স্থলে উপস্থিত হইয়া পুলিশ এবং তার বাড়ির লোকজন জিয়াউর রহমানের লাশকে সনাক্ত করে।
প্রাথমিকভাবে জিয়াউর রহমান কে কি কারণে হত্যা করা হয়েছে এলাকার সাধারণ জনগণ ও তার নিকট আত্মীয়দের কাছে জানতে চাইলে
জানা যায় জিয়াউর রহমান বহুদিন বিদেশ ছিল কিছুদিন হল বাড়িতে এসে পরিবার-পরিজন নিয়ে ছোট একটি ব্যবসা করে যাচ্ছে।
জিয়াউর রহমানের এক ছেলে স্ত্রী পিতা মাতা ও তার ভাই এক অন্ন পরিবারভুক্ত।
এলাকা হতে জানা যায় জিয়াউর রহমান মাছের ব্যবসা করে এই মাছের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক লেনদেন নিয়ে বেশ ঝামেলা চলছে জিয়াউর রহমানের সাথে তার ব্যবসায়ী পার্টনারদের। সাথে এটাও তার হত্যার কারণ হতে পারে।
আবার জিয়াউর রহমান তার ছোট ভাই রবিউল মোড়ল কে বিদেশ পাঠানোর জন্য ছয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার বা ৭ লক্ষ টাকা দালাল মারফতে দেওয়ার কারণে তাদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় ঝগড়াঝাঁটিও হয়েছে কেননা যাদেরকে টাকা দেয়া হয়েছে তারা তার ছোট ভাই রবিউলকে এখনও বিদেশ না পাঠিয়ে তালবাহানা করছে।
এলাকার সাধারণ জনগণের এমন মন্তব্য যে এটাও তার হত্যার কারণ হতে পারে। আবার জিয়াউর রহমানের হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ জিয়াউরের ছোট ভাই রবিউল মোড়ল কে চেচুরি পুলিশ ফাঁড়িতে আটক রেখেছে জানা গেছে তার ছোট ভাই রবিউল এই হত্যার কোন সূত্র হতে পারে।
জিয়াউরের মামা গত রাত নয় ঘটিকার সময় জিয়াউর রহমানের সাথে খাটো মতো করে একটি লোক কে দেখেছিল এবং জিয়াউরের মামা সন্দেহ করেছিল জিয়াউরের সাথে এই অপরিচিত লোকটি কে।
এলাকায় বিভিন্নজন বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করছে প্রকৃত অর্থে জিয়াউর রহমানকে যারা হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে চলে গিয়েছে তাদের কাউকে এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
জিয়াউর রহমান কে টাকার জন্য হত্যা করা হয়েছে কিন্তু জিয়াউর রহমানের কোমরে থাকা ৫০০ টাকার নোট এবং ২০০ টাকার নোট দেখতে পাওয়া গেছে।
তাহলে কেন জিয়াউর রহমানকে এই নির্মমভাবে খুনের শিকার হতে হলো এ বিষয় নিয়ে খুলনা জেলার পুলিশ সুপার এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এলাকা পরিদর্শন করেছেন আসামিদেরকে ধরার ব্যাপারে তদন্ত চলছে আশা করা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী কে গ্রেফতারের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এলাকায় শোকের মাতম ছড়িয়ে পড়েছে নিরীহ প্রকৃতির সরল সোজা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুতে।



আপনার মতামত লিখুন