খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

খুলনায় মৎস্য ব্যবসায়ী জিয়াউরকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিল

বিশেষ প্রতিনিধি এফ এম মামুন
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
খুলনায় মৎস্য ব্যবসায়ী জিয়াউরকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিল

ডুমুরিয়ার চেচুড়ী গ্রামের গাজী পাড়ার সরল সোজা মাছ ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান মোড়ল পিতা খবির মোড়ল কে গত রাত আনুমানিক ১১ টা থেকে ১২ঃ০০ টার মধ্যে পরিকল্পিত হত্যা করে হত্যাকারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

ডুমুরিয়া থানার এক নং ধামালিয়া ইউনিয়নের জিয়াউর রহমান মোড়ল পিতা খবির মোড়ল গতকাল দিন গত রাতে সন্ধ্যা সাতটা হতে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর রাত একটার সময় জিয়াউর রহমানের স্ত্রী তার শশুর কে জানাই জিয়াউর রহমান রাত একটা বেজে যাওয়ার পরেও বাড়িতে ফেরে নাই।

তারপর থেকে জিয়াউর রহমানকে তার আপন লোকজন ও প্রতিবেশীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরেরদিন আনুমানিক বেলা বারোটার দিকে ভবদহ নদীতে তার লাশ দেখতে পাওয়া যায় এবং স্থানীয় চেঁচুরি ফাঁড়ির পুলিশ কে সংবাদ জানালে ঘটনা স্থলে উপস্থিত হইয়া পুলিশ এবং তার বাড়ির লোকজন জিয়াউর রহমানের লাশকে সনাক্ত করে।

প্রাথমিকভাবে জিয়াউর রহমান কে কি কারণে হত্যা করা হয়েছে এলাকার সাধারণ জনগণ ও তার নিকট আত্মীয়দের কাছে জানতে চাইলে
জানা যায় জিয়াউর রহমান বহুদিন বিদেশ ছিল কিছুদিন হল বাড়িতে এসে পরিবার-পরিজন নিয়ে ছোট একটি ব্যবসা করে যাচ্ছে।
জিয়াউর রহমানের এক ছেলে স্ত্রী পিতা মাতা ও তার ভাই এক অন্ন পরিবারভুক্ত।

এলাকা হতে জানা যায় জিয়াউর রহমান মাছের ব্যবসা করে এই মাছের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক লেনদেন নিয়ে বেশ ঝামেলা চলছে জিয়াউর রহমানের সাথে তার ব্যবসায়ী পার্টনারদের। সাথে এটাও তার হত্যার কারণ হতে পারে।

আবার জিয়াউর রহমান তার ছোট ভাই রবিউল মোড়ল কে বিদেশ পাঠানোর জন্য ছয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার বা ৭ লক্ষ টাকা দালাল মারফতে দেওয়ার কারণে তাদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় ঝগড়াঝাঁটিও হয়েছে কেননা যাদেরকে টাকা দেয়া হয়েছে তারা তার ছোট ভাই রবিউলকে এখনও বিদেশ না পাঠিয়ে তালবাহানা করছে।

এলাকার সাধারণ জনগণের এমন মন্তব্য যে এটাও তার হত্যার কারণ হতে পারে। আবার জিয়াউর রহমানের হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ জিয়াউরের ছোট ভাই রবিউল মোড়ল কে চেচুরি পুলিশ ফাঁড়িতে আটক রেখেছে জানা গেছে তার ছোট ভাই রবিউল এই হত্যার কোন সূত্র হতে পারে।

জিয়াউরের মামা গত রাত নয় ঘটিকার সময় জিয়াউর রহমানের সাথে খাটো মতো করে একটি লোক কে দেখেছিল এবং জিয়াউরের মামা সন্দেহ করেছিল জিয়াউরের সাথে এই অপরিচিত লোকটি কে।

এলাকায় বিভিন্নজন বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করছে প্রকৃত অর্থে জিয়াউর রহমানকে যারা হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে চলে গিয়েছে তাদের কাউকে এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

জিয়াউর রহমান কে টাকার জন্য হত্যা করা হয়েছে কিন্তু জিয়াউর রহমানের কোমরে থাকা ৫০০ টাকার নোট এবং ২০০ টাকার নোট দেখতে পাওয়া গেছে।

তাহলে কেন জিয়াউর রহমানকে এই নির্মমভাবে খুনের শিকার হতে হলো এ বিষয় নিয়ে খুলনা জেলার পুলিশ সুপার এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এলাকা পরিদর্শন করেছেন আসামিদেরকে ধরার ব্যাপারে তদন্ত চলছে আশা করা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী কে গ্রেফতারের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এলাকায় শোকের মাতম ছড়িয়ে পড়েছে নিরীহ প্রকৃতির সরল সোজা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুতে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।