খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ধর্ষকের শাস্তি জনসম্মুখে করাসহ ৬ দাবি শিক্ষার্থীদের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
ধর্ষকের শাস্তি জনসম্মুখে করাসহ ৬ দাবি শিক্ষার্থীদের

ধর্ষকের শাস্তি জনসম্মুখে করাসহ ৬ দফা দাবি জানিয়েছেন রাজধানীর  শাহবাগে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে শাহবাগে অবস্থান নিয়ে এই দাবি জানান তারা। পরে পুলিশের অনুরোধে আন্দোলনকারীরা জাতীয় জাদুঘরের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন। মাগুরায় শিশু ধর্ষণহ সারা দেশে নারী নিপীড়নের  প্রতিবাদে এবং  অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিলেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় একে একে রাজধানীর কমপক্ষে ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে যোগ দেন। আস্তে আস্তে মিছিল ভারী হতে থাকে। তারা পুলিশকে কথা দিয়েছিলেন— শাহবাগ মোড়ে যাবেন না। জাদুঘরের সামনেই থাকবেন। সে অনুযায়ী জাদুঘরের আশপাশেসহ শাহবাগ এলাকায় সতর্ক অবস্থানে ছিলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তবে দুপুর দেড়টার দিকে পুলিশের চোখকে ফাঁকি দিয়েই আচমকা শাহাবাগ মোড়ে গিয়ে বসে পড়েন একদল শিক্ষার্থী। আর বাকিরা যানবাহন আটকিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। ২৪ এর বাংলাদেশে ধর্ষকের ঠাই নেই, আমার বোনের কান্না আর না আর না, সারা বাংলায় খবর দে ধর্ষকদের কবর দে, তুমি কে আমি কে আছিয়া আছিয়া, একটা একটা ধর্ষক ধর ধইরা ধইরা জবাই কর। ইন্টেরিম জবাব দে নইলে হাতে চুড়ি দে। এমন না না স্লোগান দিতে থাকেন।

এ সময় পুলিশ সদস্যরা  নানাভাবে বুঝিয়ে তাদেরকে শাহবাগ মোড় ত্যাগে রাজি করাতে সক্ষম হন। ১৫ মিনিট পর তারা জাদুঘরের সামনে ফিরে যান। তবে এর আগে ৬ দফা দাবি পেশ করেন শিক্ষার্থীরা। বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ কলেজের শিক্ষার্থী মো. নকীব সাদাত মাইকে শিক্ষার্থীদের নিবৃত করে বলেন— দেশে ধর্ষণের পরিমাণ অনেকটাই বেড়েছে। এ সরকারের কাছে আমাদের অনেক বড় প্রত্যাশা ছিল।কিন্ত আমরা দিন দিন আশাহত হচ্ছি। এ কারণে  আমরা আজ অবরোধ কর্মসূচি পালন করছি। সরকারের কাছে আমরা ছয়টি দাবি পেশ করছি। এগুলো অবিলম্বে মেনে নিতে হবে।  আমাদের দাবিগুলো হচ্ছে

১. ধর্ষকের শাস্তি জনসম্মুখে নিশ্চিত করতে হবে। যা সমাজে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

২. ধর্ষকদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করতে হবে।

৩. যেকোনও ধর্ষণের ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষককে গ্রেফতার, মেডিক্যাল রিপোর্ট তৈরি করা এবং ভিকটিম ও সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

পরবর্তী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে যথাযথ প্রমাণের ভিত্তিতে ধর্ষকের ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে। এতে কোনও অসামঞ্জস্য থাকলে, সেটি গ্রহণযোগ্য হবে না। ধর্ষণ মামলার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে ধর্ষিত নারী এবং পুরুষের স্পার্ম পরীক্ষা করার জন্য ল্যাবরেটরির সংখ্যা বাড়াতে হবে।

৪. ধর্ষণের বিচার সালিশের মাধ্যমে করা যাবে না। এর বিচার নিশ্চিত করবে শুধুমাত্র রাষ্ট্র। সালিশি বিচার আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে।

৫. অপ্রাপ্ত বা বয়স্ক পুরুষ দ্বারা ধর্ষণের শিকার হলে সর্বোচ্চ ফাঁসি এবং অন্তত আমৃত্যু কারাদণ্ড কার্যকর করতে হবে।

৬. চলমান সব ধর্ষণ মামলার বিচার আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠন করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। এ বিষয়ে আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলম বলেন, ঘোষণা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি জাতীয় জাদুঘরের সামনে হওয়ার কথা। তবে তারা একপর্যায়ে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছিলেন। তখন জনদুর্ভোগ বিষয়টি বিবেচনা করার কথা বললে বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা আগের অবস্থানে ফিরে গেছেন। এখন তারা জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান করছেন। সর্বশেষ বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা জাতীয় জাদঘরের সামনে অবস্থান করছেন। সন্ধা পর্যন্ত থাকবেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।