খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জনবল সংকটে ধুঁকছে দেশের একমাত্র মহিষ প্রজনন খামার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
জনবল সংকটে ধুঁকছে দেশের একমাত্র মহিষ প্রজনন খামার

নানা সমস্যায় জর্জরিত দেশের একমাত্র সরকারি মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার। খামারে বিভিন্ন জাতের মহিষ থাকলেও নেই পর্যাপ্ত জনবল। পরিচর্যার অভাবে মহিষের রুগ্নতা ও মৃত্যুর হার বাড়ছে। এতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে দেশের মাংস ও দুগ্ধ উৎপাদনে। দেশের একমাত্র মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামারটি গড়ে উঠেছে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার খুলনা-মোংলা মহাসড়কের সুখদাড়ায়। ১৯৮৪-৮৫ অর্থবছরে সালে ১১১টি বিভিন্ন জাতের মহিষ নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে প্রায় ১০০ একর জমিতে মুররা, নিলিরাভিসহ অন্যান্য জাতের মিলে ছোট-বড় ৪১৮টি মহিষ রয়েছে।

জনবল সংকটে ধুঁকছে দেশের একমাত্র মহিষ প্রজনন খামার

খামারের মূল উদ্দেশ্য ৫০ শতাংশ ভর্তুকি মূল্যে চাষিদের ষাঁড়-মহিষ সরবরাহ করা। গত অর্থবছরে ১৪২টি মহিষ বিক্রি হয়েছে। তবে ৪১৮টি মহিষের সরাসরি পরিচর্যার জন্য ৩৮টি চতুর্থ শ্রেণির পদের বিপরীতে কর্মী রয়েছেন মাত্র চারজন। ফলে যথাযথভাবে শেড পরিষ্কার করা, সময়মতো খাবার দেওয়া ও যত্ন নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না মহিষগুলোকে। দুধ দোহন ও বিক্রয়সহ অন্যান্য কাজও ব্যাহত হচ্ছে। সরেজমিন মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামারে দেখা যায়, একাধিক শেডে মহিষ রাখা হয়েছে। ষাঁড় ও মা মহিষের পাশাপাশি শাবকদের জন্যও রয়েছে আলাদা শেড। মহিষের স্বাস্থ্য দেখলেই পরিচর্যার ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

জনবল সংকটে ধুঁকছে দেশের একমাত্র মহিষ প্রজনন খামার

মহিষের খাবারের জন্য খামার চত্বরে বিশেষভাবে ঘাস রোপণ করা হয়েছে। এখানকার উৎপাদিত দুধের গুণগতমান ভালো হওয়ায় প্রতিদিন সকালে ক্রেতাদের লাইন পড়ে। মহিষের দুধ গরুর দুধের চেয়ে চারগুণ বেশি ঘন এবং খাঁটি হওয়ায় ক্রেতারা ভিড় করেন। বর্তমানে প্রতি লিটার দুধ ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এখানে বছরে ৭০-৮০ হাজার লিটার দুধ উৎপাদিত হয়। স্থানীয় চাকরিজীবী মো. আব্দুল্লাহ বলেন, ‘গরুর দুধের তুলনায় মহিষের দুধ ঘন হওয়ায় আমরা এখান থেকে দুধ কিনি। কিন্তু এখানের জনবল কম থাকায় আমরা সবসময় পর্যাপ্ত দুধ পাই না। লাইনে দাঁড়িয়ে দুধ নিতে হয়।’

জনবল সংকটে ধুঁকছে দেশের একমাত্র মহিষ প্রজনন খামার

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খামারের একজন কর্মচারী বলেন, ‘জনবল কম থাকায় ঠিকমতো মহিষের পরিচর্যা করা সম্ভব হয় না। ঠিকমতো খাবার খাওয়াতে পারি না। এজন্য এরা ধীরে ধীরে রুগ্ন হয়ে পড়ছে। এ বিষয়ে মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামারের সিনিয়র সহকারী পরিচালক শেখ আল মামুন বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটি শুরুর সময় ৫২ জন জনবল দেওয়া হয়েছিল। তবে গত ৪-৫ বছরে অবসরজনিত কারণে জনবলের সংখ্যা কমে গেছে। মহিষ উন্নয়ন প্রকল্পের জনবল থাকায় এতদিন এই অভাব অনুভূত হয়নি। কিন্তু প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জনবল সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।’

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।