খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ঈদ উপলক্ষে প্রবাসীদের আগমনে মুখর শাহজালাল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫, ১:১৪ অপরাহ্ণ
ঈদ উপলক্ষে প্রবাসীদের আগমনে মুখর শাহজালাল

 

বরগুনা সদরের দেলোয়ার হোসেন (৫০)। পরিবারে অভাব-অনটনের কারণে ১২ বছর আগে চলে যান সৌদি আরব। দীর্ঘ এই সময়ে একটি ঈদও কাটেনি পরিবারের সঙ্গে। আগে থেকে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন এবারের ঈদ কাটাবেন চার ছেলে-মেয়ে ও স্ত্রীর সঙ্গে। এজন্য শনিবার দুপুরে এয়ার অ্যারাবিয়ার ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন। ক্যানোপিতে হাসিমুখে প্রিয়জনদের খোঁজ করছিলেন তিনি। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কথা বলতে গেলে প্রথমে কিছুটা অপ্রস্তুত হলেও সামলে নিয়ে ভালো লাগার কথা জানান। দেলোয়ার হোসেন বলেন, বিদেশে তিনি নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। ১২ বছর পর দেশে এসে তার খুব ভালো লাগছে। ঈদের জন্য সৌদি থেকে পরিবারের জন্য কেনাকাটাও করেছেন। শুধু দেলোয়ার হোসেন নয় ৯ বছর পর একই দেশ থেকে আসা ইউসুফের চোখমুখেও ছিল অন্যরকম এক ভালোলাগা। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের ইউসুফ এসেছেন একই ফ্লাইটে। ইউসুফ জানান, শুধু ঈদ করবেন বলে দেশ এসেছেন। একমাসের ছুটি শেষ তিনি আবার ফিরবেন। ইউসুফ সৌদি আরবে গাড়ি চালান বলে জানান। কথা হয় আজরুল, আবু সাঈদ, শিপনসহ আরও কয়েকজনের সঙ্গে। তারা সবাই দীর্ঘ দিন পর দেশে এসেছেন পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে।

f20453d8-262e-4c86-bfcf-c695e45e9c1e

আসন্ন ঈদ উপলক্ষে প্রবাসীদের দেশে আসার এ জোয়োরে জমজমাট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্যানোপিতে স্বজনদের প্রচণ্ড ভিড় দেখা যায়। ভিড় সামলাতে ব্যস্ত এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। দেখা যায়, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, কাতার, ওমানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থাকা প্রবাসীরা ঈদ সামনে রেখে স্বজনদের কাছে ফিরছেন। প্রতিদিন হাজার হাজার প্রবাসী ও প্রবাসীদের অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের পদচারণায় এখন বিমানবন্দর মুখরিত। আর বিমানবন্দরে এ ভিড় সামলাতে ব্যস্ত বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা। এভিয়েশন সিকিউরিটি প্রধান জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, যাত্রীদের যেন কোনও প্রকার হয়রানি না হয় সে ব্যাপারে প্রতিটি সদস্য আন্তরিকভাবে কাজ করছে তিনি তিনি বলেন, “লাগেজ কাটা কিংবা মালামাল যাতে চুরি বা না হারায় সে ব্যাপারেও আমরা সচেষ্ট। যাত্রীরা যেন সেবা পান সেই চেষ্টা থাকে, সেটাই নিশ্চিত করছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যাত্রীরা সঠিক সময়ে লাগেজ পাচ্ছে। তবে যখন একসঙ্গে অনেকগুলো ফ্লাইট নামে তখন একটু সমস্যা হয়। সেটিও কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করা হচ্ছে। এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ সহকারী সুপার রাকিবুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এমনিতেই যাত্রীদের চাপ থাকে। এখন ঈদ মৌসুম হওয়ায় এই চাপ দ্বিগুণ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, যাত্রীরা যেন নিরাপদে বিমানবন্দর ত্যাগ করতে পারে সেজন্য আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। বিমানবন্দর কাস্টমের উপ-কমিশনার ইফতেখার আলম ভুঁইয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ঈদ মৌসুমে যাত্রীদের অনেক চাপ। তবে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন সে জন্য আমাদের সব কর্মকর্তা সচেষ্ট রয়েছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।