খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বাংলাদেশিদের ভিসা দিচ্ছে না ভারত, সুযোগ নিচ্ছে চীন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫, ২:৫৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশিদের ভিসা দিচ্ছে না ভারত, সুযোগ নিচ্ছে চীন

বাংলাদেশিদের চাহিদা অনুযায়ী অথবা স্বাভাবিক মেডিকেল ভিসা দিচ্ছে না ভারত। এমন পরিস্থিতিতে এগিয়ে এসেছে চীন। দেশটি একই ধরনের সুবিধার প্রস্তাব দিচ্ছে। বাংলাদেশের চার সূত্রের মধ্যে একজন জানিয়েছেন, যখন শূন্যতা তৈরি হবে, তখন অন্যরা এসে সেই স্থান পূরণ করবে। এখন কিছু লোক থাইল্যান্ড ও চীন যাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগস্ট মাস থেকে ভারত প্রতি কর্মদিবসে এক হাজারেরও কম মেডিকেল ভিসা দিয়েছে, যা আগে ছিল পাঁচ থেকে সাত হাজার। ভারতের দীর্ঘদিনের মিত্র শেখ হাসিনা অভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে যাওয়ার পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতাগ্রহণ করে। এরপর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের চরম অবনতি হয়।

উভয় দেশের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ভারত ২০ লাখেরও বেশি বাংলাদেশিকে ভিসা দিয়েছে, যার অধিকাংশই চিকিৎসার জন্য। এখন ভারতের এমন অবস্থানের কারণে সুযোগ নিচ্ছে চীন। চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, মেডিকেল ট্যুরিজমের বাজারের সম্ভাবনা দেখতে এই মাসেই একদল বাংলাদেশি চিকিৎসার জন্য দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ ইউনান সফর করেছেন। ওয়েন গত সপ্তাহে জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে তাদের কমপক্ষে ১৪টি কোম্পানি বাংলাদেশে ২৩০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে, যা সেই সময়ের মধ্যে যে কোনো দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করা ড. ইউনূস এই মাসে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দেখা করতে চীন সফরে যাচ্ছেন।

চীন ঢাকায় একটি ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল চালু ও চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশিদের জন্য প্রবেশাধিকার সহজ করার কথা চিন্তা করছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, পারস্পরিক সহযোগিতা আরও গভীর এবং অনুসন্ধান করতে দেশটি বাংলাদেশের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক। তিনি বলেন, চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়, বা এটি তৃতীয় পক্ষের কারণ দ্বারাও প্রভাবিতও নয়। সূত্রগুলো জানিয়েছে, ভারতের বিলম্বিত ভিসা প্রক্রিয়া কেবল বাংলাদেশ সরকারকেই নয়, বরং বৃহত্তর জনগণকেও বিচ্ছিন্ন করে তুলছে, যা ভারতকে দীর্ঘ সময়ের জন্য ঢাকা থেকে দূরে রাখতে পারে। কারণ হাসিনার দলের দ্রুত প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা কম।

আগস্ট মাসে নয়াদিল্লি বাংলাদেশে অবস্থিত মিশন থেকে অনেক কূটনীতিক ও তাদের পরিবারকে সরিয়ে নেয়। ভারত সরকারের সূত্র জানিয়েছে, তারা চায় যে অসুস্থ বাংলাদেশিরা ভারতে চিকিৎসার সুযোগ পান। তাছাড়া বাংলাদেশে ‘স্থিতিশীলতা’ ফিরলে মিশনগুলোতে কর্মী যোগ করা হবে। একজন ভারতীয় বিশ্লেষক বলেছেন, চীনের আঞ্চলিক প্রভাব ক্রমশ বাড়ছে। ভারতের জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক হ্যাপিমন জ্যাকব বলেন, দক্ষিণ এশিয়া একটি বড় কৌশলগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে যেখানে চীন অন্যতম বৃহৎ খেলোয়াড় হয়ে উঠছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।