খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

নির্বাচনি রাজনীতি থেকে দূরে থাকবে: বিএনপির সঙ্গে বৈঠকের পর হেফাজত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৫, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
নির্বাচনি রাজনীতি থেকে দূরে থাকবে: বিএনপির সঙ্গে বৈঠকের পর হেফাজত

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা, সংবিধানে বহুত্ববাদ বাদ রাখাসহ বিভিন্ন দাবিতে বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে এক ঘণ্টার বেশি বৈঠকের পর হেফাজতে ইসলাম দাবি করেছে, ‘নির্বাচনি রাজনীতি থেকে হেফাজত সবসময়ই মুক্ত থাকবে। রবিবার (৬ এপ্রিল) হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদীর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়। এদিন বিকাল ৪টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদের পরামর্শে বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে প্রেস রিলিজটি দেওয়া হয়।

হেফাজতের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হেফাজতে ইসলাম একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন। কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোটে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। এ ধরনের কোনও বক্তব্য হেফাজত থেকে দেওয়া হয়নি। হেফাজত কখনও কারও ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না। নির্বাচনি রাজনীতি থেকেও হেফাজত সবসময়ই মুক্ত থাকবে। হেফাজতের নাম বিক্রি করে কেউ রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করলে তা সফল হবে না। ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়াবলিতে হেফাজত জনগণের পক্ষেই সবসময় মতামত দেয় এবং ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে হেফাজতের অবস্থান আগের মতোই অবিচল থাকবে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিএনপির মতো অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও হেফাজত বৈঠক করবে।

আগামী ১২ এপ্রিল কয়েকটি ইসলামী দলের সঙ্গে বৈঠক হবে। প্রসঙ্গত, হেফাজতের যারা গতকালের (রবিবার) বৈঠকে ছিলেন তাদের প্রায় প্রত্যেকেই ইসলামি দলের শীর্ষ নেতা। হেফাজত নেতাদের সঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে ব্রিফ করেন সালাহ উদ্দিন আহমদ। হেফাজত নেতাদের নিয়ে ওই ব্রিফে স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আমরা যেমন সংস্কার ও আওয়ামী লীগের বিচার চাই, তেমনি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উত্তরণের বিষয়টি বিবেচনা করতে চাই। ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রধান উপদেষ্টা আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু প্রায় সময় দেখা যাচ্ছে, কিছু দিন পরপর বলা হচ্ছে—নির্বাচন ডিসেম্বর থেকে জুনে। আবার জুনে থেকে ডিসেম্বরে এরকম একটা শিফটিং দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন মহল থেকে নির্বাচন বিলম্বিত করারও বিভিন্ন পাঁয়তারা লক্ষ করা গেছে। আমাদের জোরালো দাবি—প্রধান উপদেষ্টা অবশ্যই দ্রুত নির্বাচনের রোডম্যাপ দেবেন, যাতে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করা যায়।

হেফাজতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৈঠকে আটটি বিষয়ে বিএনপিকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—সংবিধানে ‘আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস’ বহাল রাখা ও ‘বহুত্ববাদ’ শব্দ না ঢুকাতে বিএনপিকে সরব হওয়া; শাপলা চত্বর ও জুলাই-আগস্টের ‘গণহত্যার’ দায়ে আওয়ামী লীগের বিচার কাজ দ্রুত শুরু; প্রয়োজনীয় সংস্কারসহ সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের ব্যাপারে কোনও আপত্তি না থাকা; ‘তৌহিদি জনতা’ ও আলেম-ওলামার বিরুদ্ধে যায়—এমন কথাবার্তা বলা থেকেও বিরত থাকা।

এছাড়া ‘বিএনপির কিছু কর্মকাণ্ডে দেশের মানুষ ও ওলামায়ে কেরাম যে অসন্তুষ্ট, তা বিএনপিকে জানানো হয়েছে’ বলা হয় প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।