খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রেমিকের সঙ্গে কোথায় সময় কাটাচ্ছেন রাশমিকা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৫, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
প্রেমিকের সঙ্গে কোথায় সময় কাটাচ্ছেন রাশমিকা

ভারতের ‘জাতীয় ক্রাশ’ খ্যাত নায়িকা রাশমিকা মান্দানা। তিনি বালি আর সমুদ্রের মাঝে বসে তোলা ছবি তার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করছেন। আবার বিজয়ের ইনস্টাগ্রামের ছবিতেও বালি আর সমুদ্র। আর তা দেখে রহস্যের গন্ধ পাচ্ছেন অনুরাগীরা। এর সঙ্গত কারণও রয়েছে। রাশমিকা ও বিজয় দেবারাকোন্ডার প্রেমের গুঞ্জন বলিউড ও দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির আশপাশে কান পাতলেই শোনা যায়। তাই সবাই মনে করছেন এবারও রাশমিকার জন্মদিনে কি জুটিতে সময় কাটালেন দুজনে। ইনস্টাগ্রামের ছবি তাদের প্রেমের গুঞ্জনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

 

গত ৫ এপ্রিল ছিল রাশমিকা মান্দানার ২৯তম জন্মদিন। রোববার ইনস্টাগ্রামে চারটি ছবি পোস্ট করেছেন রাশমিকা। পরনে স্লিভলেস কালো টপ এবং স্ট্রাইপড পাজামা। হালকা মেকআপের ওই ছবিতেও যেন নেটদুনিয়ায় আগুন জ্বালিয়েছেন তিনি। এর পরদিন আবার ইনস্টাগ্রামে ছবি শেয়ার করেছেন বিজয়। কোনো ছবিতে বিজয় বালির উপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। আবার কোনো ছবিতে দেখা গেছে সমুদ্রের পাড়ে ঘোড়ার পিঠে চড়ছেন অভিনেতা। রাশমিকা ও বিজয়ের ছবি দেখে বিস্মিত হয়েছেন অনুরাগীরা। বালি ও সমুদ্র দেখে তাদের অনুমান, একই জায়গায় রয়েছেন দুজনে। যদিও এই প্রথমবার নয়। গত বছরেও আরব আমিরাতে বিজয়ের সঙ্গে জন্মদিন পালন করেন রাশমিকা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে ছবি ভাইরালও হয়ে যায়। যদিও সে বিষয়ে বিজয় কিংবা রাশমিকা নিশ্চুপ।

 

দক্ষিণী সিনেমার অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা বলিউডে সমান জনপ্রিয়।‘পুষ্পা’ সিনেমায় তার ‘স্বামী স্বামী’নাচ দেখে গোটা সবার হৃদয়ে ঝড় উঠেছে। তারপর ‘অ্যানিম্যাল’সিনেমাতেও নজর কেড়েছেন তিনি। সেই রাশমিকাই নাকি পেয়ে গেছেন তার প্রাণের স্বামীকে! গুঞ্জন বলছে, দক্ষিণী অভিনেতা বিজয় দেবারাকোন্ডার সঙ্গেই নাকি সাত পাকে বাঁধাও পড়তে যাচ্ছেন এ নায়িকা। বিয়ের পিঁড়িতে কবে যাবেন দক্ষিণের এ সুন্দরী, সেটাই সবার জানতে চাওয়ার বিষয়।

গৌরীপুরের প্রাচীন নিদর্শন তালিকাভুক্ত ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ার দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

রায়হান উদ্দিন সরকার
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
গৌরীপুরের প্রাচীন নিদর্শন তালিকাভুক্ত ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ার দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে উপজেলার প্রাচীন নিদর্শন ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের পুরাকীর্তির তালিকাভুক্ত করে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়েছে।

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে গৌরীপুর জমিদারবাড়ির ঐতিহাসিক প্রাচীন ভবন—বর্তমানে গৌরীপুর মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণের সামনে—সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি এন্ড লাইব্রেরি ও এসিক এসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে এবং ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশনের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

 

এর আগে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ঐতিহাসিক ধান মহালস্থ ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি এন্ড লাইব্রেরির মিলনায়তনে প্রাচীন নিদর্শন ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর ওপর ডিসপ্লে ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

রবিবারের সমাবেশ ও আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন দি ইলেক্টোরাল কমিটি ফর বীরাঙ্গনা সখিনা সিলভার পেন অ্যাওয়ার্ড কমিটির সভাপতি ও সরকারি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ক্রিয়েটিভ এসোসিয়েশন হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি এন্ড লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রায়হান উদ্দিন সরকার, সহকারী অধ্যাপক মোশারফ হোসেন, গৌরীপুর মহিলা কলেজের প্রভাষক মো. আনোয়ার হোসেন, গৌরীপুর উপজেলা বিএনপি কমিটির সদস্য ও উপজেলা শাখার ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক মীর হোসেন মিরন, গৌরীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হুদা লিটন, সহ-সভাপতি মো. লুৎফর রহমান খান খোকন, সাবেক সভাপতি মহসিন মাহমুদ শাহ, বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল গফুর, সাংবাদিক মোহাম্মদ সাইফুল আলম, সাংবাদিক সুপক রঞ্জন উকিল, সাংবাদিক মো. দিলীপ কুমার দাস এবং এসিক ইয়ুথ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ শাহ প্রমুখ।

 

বক্তারা বলেন, ময়মনসিংহের উত্তরের জনপদ গৌরীপুর রাজা-জমিদারদের স্মৃতিবিজড়িত একটি ঐতিহাসিক জনপদ। এখানে মুঘল, সুলতানি ও ব্রিটিশ আমলের বহু প্রাচীন নিদর্শন রয়েছে। রয়েছে ১২টি জমিদারবাড়ির ইতিহাস ও স্থাপত্যনিদর্শন, প্রাচীন মসজিদ, ঐতিহাসিক দীঘি, মন্দির, মধ্যযুগীয় মাজার, দুটি কেল্লা বা ফোর্টের ধ্বংসাবশেষ এবং ইতিহাসখ্যাত ব্যক্তিদের সমাধি।

 

এ ছাড়া পূর্ব বাংলার গীতিকায় সমৃদ্ধ বীরাঙ্গনা সখিনার ইতিহাস ও সমাধি এবং মুঘল আমলের খাজা উসমান খাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক কেল্লার নিদর্শনও গৌরীপুরের ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।

 

তারা বলেন, এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্ননিদর্শন যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা গেলে গৌরীপুরকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য উপজেলার প্রাচীন নিদর্শনগুলো জরিপ করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের পুরাকীর্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত, সংরক্ষণ ও পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের দাবি জানান তারা।

 

স্মারকলিপি প্রদান

সমাবেশ শেষে গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমীন পাপ্পার মাধ্যমে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

 

স্মারকলিপিতে গৌরীপুরের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো চিহ্নিত করে তালিকাভুক্তি, সংরক্ষণ এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

 

আয়োজকদের প্রত্যাশা, সরকারি উদ্যোগ ও স্থানীয় মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গৌরীপুরের হারিয়ে যেতে বসা ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরা সম্ভব হবে।