খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

খুলনা মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত সহকারি পরিচালক ডাঃ মিজানের বিরুদ্ধে ফুলতলা থানায় লিখিত অভিযোগ

এফ এম মামুন, খুলনা
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:০৯ অপরাহ্ণ
খুলনা মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত সহকারি পরিচালক ডাঃ মিজানের বিরুদ্ধে ফুলতলা থানায় লিখিত অভিযোগ

কোন অনুমতি ছাড়া খুলনা মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক, শিক্ষা ডাক্তার মিজানুর রহমান ও তার লোকজন ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কমপ্লেক্সে অনধিকার প্রবেশ করে, ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চুক্তি, ভিত্তিক চাকরির, অফিস সহকারী

হুসাইন সরদার পিতা শাহিন সরদার সাং দামোদর থানা ফুলতলা স্যার না বলায় বেধড়ক মারপিট করার অভিযোগ তুলেছেন ভিকটিম নিজেই।

১৩-৪-২৫ ইং রোজ রবিবার সকাল ৯ ঘটিকার সময় খুলনা মেডিকেল কলেজের সহকারী পরিচালক ডাক্তার মিজানুর রহমান শিক্ষা ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ প্রবেশ করেন এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিসের দিকে আসতে থাকলে দূর হতে হুসাইন সরদার অফিস সহায়ক বিষয়টি নজরে নিয়ে অফিসের অন্যদেরকে এমন কথাই বলেন মিজান স্যার আসছে যে কথাটি ডাক্তার মিজানুর রহমান শুনতে পান ,কিন্তু ডাক্তার মিজানুর রহমানের আক্রমণের মূল কারণ ছিল, তাকে স্যার বলা হয় নাই কেন।
এমন কথা বলে অফিস সহায়ক হুসাইন সরদার কে ডান কর্ণ বরাবর চাপাঘাত করেন ডাক্তার মিজানুর রহমান।
পরক্ষণে তার সাথে থাকা অনেকেই চড়, কিল, ঘুসি মারতে থাকে এক পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত স্টাফরা ডাক্তার মিজানুর রহমান কে ঠেকানোর চেষ্টা করলে তাদের ওপরও চড়া হয়
এবং ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আর এম ও ডাক্তার মৃময় কে ৬/৪/২৫ ইং তারিখের একটি ব্যবস্থাপত্র দেখিয়ে রোগীর উপর ওষুধ নির্বাচনে অনিয়ম হয়েছে এমন কথা বলে ধমকাতে থাকে এ সময় ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার জেসমিন আরা বিষয়টি মীমাংসার জন্য ডাক্তার মিজানুর রহমানকে তার অফিস কক্ষে বসতে বলেন ,

এমন কথা বলাতেই ডাক্তার মিজানুর রহমান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাক্তার জেসমিন আরার উপর তুই, তুকারি করে দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করে।এমন বিষয় বিস্মিত হয়ে ফুলতলা উপজেলায় কর্মরত ডাক্তার জেসমিন আরা বলেন আমাদের স্বাস্থ্য সেবা শাখায় তার কোন কাজ নাই তবে কেন সরকারী অফিস সময়ে ডাক্তার মিজানুর রহমান প্রবেশ করলো যেহেতু সে নিজে ও একটি অফিসে বা মেডিকেল কলেজে কর্মরত

এ ব্যাপারে প্রত্যক্ষদর্শী দামোদরের মাসুম সাংবাদিকদের ক্যামেরায় এমন কথাই বলেন ডাক্তার মিজানুর রহমান অনিয়ম করেছে যা তার থেকে আমরা আশা করি না
ডাক্তার মিজানুর রহমানের ব্যাপারে তার এলাকার অনেকেই বিরুপ বা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন ডাক্তার মিজানুর রহমান কে ঘিরে।
ফুলতলা উপজেলা সহ অত্র এলাকায় এ ঘটনা নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে কেননা ডাক্তার মিজানুর রহমান চিকিৎসা জগতে একজন সেবকও বটে

চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীর কামিয়াবী হয়ে ওঠাই হল ডাক্তারের একমাত্র কাজ।

যেখানে ডাক্তার মিজানুর রহমান তার পরিচয় দিয়েছেন ভিন্ন
যার বিরুদ্ধে বইটিয়াঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থাকাকালীন সময়ে এমনই বিশৃঙ্খলা বা মারধর করার অভিযোগের তথ্য রয়েছে যা সকল শিষ্টাচার বহির্ভূত।

এ ব্যাপার নিয়ে ডাক্তার মিজানুর রহমানের নিকট মুঠোফোনে কল করা হয় কিন্তু ডাক্তার মিজানুর রহমানকে পাওয়া যায় নাই ডাক্তার মিজানুর রহমানের ব্যক্তিগত নম্বরটিতে কল করলে অন্য কেউ রিসিভ করেন এবং বলেন তিনি একটি মিটিংয়ে আছে।

উক্ত ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক দলের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন যারা এ বিষয়ে নিয়ে দুঃখ প্রকাশের মাধ্যমে সুস্থ বিচার দাবি করেছেন।

জানা গেছে হুসাইন এর পিতা শাহিন সরদার স্বশরীরে ফুলতলা থানাতে উপস্থিত হইয়া ডাক্তার মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন উক্ত বিষয় নিয়ে ফুলতলা থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মোঃ জিল্লালের মাধ্যমে জানা যায় তিনি বলেন একটি অভিযোগ পেয়েছি মামলার তদন্তকারী অফিসার শফিকুলের মাধ্যমে তদন্ত পূর্বক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।