আমখোলায় নদী ভাঙ্গন
বিচ্ছিন্ন হওয়ার পথে গলাচিপা-পটুয়াখালী সড়ক, চরম ভোগান্তিতে মানুষ
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার সাথে জেলা সদরের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকায় নদী ভাঙ্গনের তীব্রতায় সড়কের একটি বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে, যার ফলে সড়ক যোগাযোগ যেকোনো মুহূর্তে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। এতে করে হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আমখোলা লঞ্চঘাট এলাকার পাশে থাকা গলাচিপা-পটুয়াখালী সড়কের অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সড়কের সুরক্ষার জন্য নির্মিত গাইড ওয়ালের একাংশ ইতোমধ্যে ভেঙ্গে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গনের কারণে পাকা রাস্তার নিচের মাটি সরে গিয়ে বড় বড় ফাটল তৈরি হয়েছে এবং রাস্তার একটি অংশ বিপজ্জনকভাবে ঝুলে আছে। ঝুঁকি নিয়েই এর পাশ দিয়ে হালকা যানবাহন চলাচল করলেও ভারী যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ। যেকোনো মুহূর্তে সম্পূর্ণ রাস্তাটি ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান, এই সড়কটি গলাচিপা সদরসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষের জেলা শহরে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী এবং রোগীরা এই রাস্তা ব্যবহার করেন। অতীতে কয়েকবার রাস্তাটি সংস্কার করা হলেও নদী ভাঙ্গন রোধে টেকসই কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় সংস্কারের কিছুদিন পরেই তা আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা, মোঃ সজিব মিয়া বলেন, “নদী যেভাবে রাস্তা ভাঙছে, তাতে মনে হচ্ছে কয়েকদিনের মধ্যেই আমাদের চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী সমাধান হিসেবে
জরুরি ভিত্তিতে নদী ভাঙ্গন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে সড়ক যোগাযোগ সচল রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
অন্যথায়, জেলা সদর থেকে গলাচিপার একটি বড় অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে তা এলাকার আর্থ-সামাজিক জীবনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।



আপনার মতামত লিখুন