খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আমখোলায় নদী ভাঙ্গন

বিচ্ছিন্ন হওয়ার পথে গলাচিপা-পটুয়াখালী সড়ক, চরম ভোগান্তিতে মানুষ

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
বিচ্ছিন্ন হওয়ার পথে গলাচিপা-পটুয়াখালী সড়ক, চরম ভোগান্তিতে মানুষ

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার সাথে জেলা সদরের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকায় নদী ভাঙ্গনের তীব্রতায় সড়কের একটি বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে, যার ফলে সড়ক যোগাযোগ যেকোনো মুহূর্তে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। এতে করে হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আমখোলা লঞ্চঘাট এলাকার পাশে থাকা গলাচিপা-পটুয়াখালী সড়কের অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সড়কের সুরক্ষার জন্য নির্মিত গাইড ওয়ালের একাংশ ইতোমধ্যে ভেঙ্গে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গনের কারণে পাকা রাস্তার নিচের মাটি সরে গিয়ে বড় বড় ফাটল তৈরি হয়েছে এবং রাস্তার একটি অংশ বিপজ্জনকভাবে ঝুলে আছে। ঝুঁকি নিয়েই এর পাশ দিয়ে হালকা যানবাহন চলাচল করলেও ভারী যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ। যেকোনো মুহূর্তে সম্পূর্ণ রাস্তাটি ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান, এই সড়কটি গলাচিপা সদরসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষের জেলা শহরে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী এবং রোগীরা এই রাস্তা ব্যবহার করেন। অতীতে কয়েকবার রাস্তাটি সংস্কার করা হলেও নদী ভাঙ্গন রোধে টেকসই কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় সংস্কারের কিছুদিন পরেই তা আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা, মোঃ সজিব মিয়া বলেন, “নদী যেভাবে রাস্তা ভাঙছে, তাতে মনে হচ্ছে কয়েকদিনের মধ্যেই আমাদের চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী সমাধান হিসেবে

জরুরি ভিত্তিতে নদী ভাঙ্গন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে সড়ক যোগাযোগ সচল রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

অন্যথায়, জেলা সদর থেকে গলাচিপার একটি বড় অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে তা এলাকার আর্থ-সামাজিক জীবনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।