খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

হাওয়াই ব্রিজের ফোয়ারার ১০৫ টি নজেলের মধ্যে ১০৪ টিই চুরি

তারিকুল ইসলাম, মাদারগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
হাওয়াই ব্রিজের ফোয়ারার ১০৫ টি নজেলের মধ্যে ১০৪ টিই চুরি

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা ৫০ লক্ষ মানুষের স্বপ্নের একমাত্র আনন্দ বিনোদন কেন্দ্র খরকা ঝিল হাওয়াই রোড়ে দৃষ্টিনন্দন রঙিন ফোয়ারা থেকে ১০৪ টি কল চুরি হয়েছে।

মাদারগঞ্জে ভ্রমণ পিপাসু মানুষের কাছে এই জায়গাটি ছিলো চিত্ত বিনোদনের একমাত্র ভরসা। কথায় আছে না, চোর না শুনে ধর্মের কাহিনি। তাদের কোন ধর্মীয় বিশ্বাসের বালাই নেই। মাদারগঞ্জের একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র খরকা ঝিল ব্রিজের প্রবেশদারে পানির ফুয়ারার ১০৫টি নজলের ১০৪টি নজেল চুরি হলেও গত শুক্রবার সন্ধায় পৌর কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরে এই নিয়ে শুরু হয় তোলপাড়। এপর্যন্ত কোন খবর পাওয়া যায়নি। মাদারগঞ্জ উপজেলার  একমাত্র  বিনোদন  কেন্দ্র খরকার হাওয়াই রোড়ের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধিতে পানি ফুয়ারার অবদান অপরিসীম।
প্রশাসনের কাছে মাদারগঞ্জ বাসির দাবি অতিবিলম্বে চোর চক্রকে গ্রেফতার করতে হবে। দূর দূরান্ত থেকে আশা ভ্রমণ পিপাসু জন সাধারণও এ দাবি তুলেছেন । সেই সাথে জরুরি ভিক্তিতে  ফুয়ারাটি জরুরি ভাবে সংস্কার করার জন্য কর্তৃপক্ষকে সবিনয়ে অনুরোধ জানান।মাদারগঞ্জের খরকা ঝিল  প্রবেশ দ্বারের পানির ফোয়ারার ১০৫টি নজলের মধ্যে ১০৪টি চুরির খবরটি খুবই দুঃখ জনক। গত শুক্রবার  সন্ধ্যায় পৌর কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। এই ধরনের চুরি কেবল আর্থিক ক্ষতিই করে না, বরং একটি এলাকার সৌন্দর্য এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। মাদারগঞ্জ উপজেলা খরকা ব্রিজ দৃষ্টি নন্দিত রঙিন পানির ফোয়ারার কল যন্ত্রণাংশ চুরির বিষয়টি  সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে, স্থানীয় প্রশাসন বা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই সংক্রান্ত অনুসন্ধান করে জানা যেতে পারে। এই ফোয়ারাটি স্থানীয় জনগণের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান ছিল, যা এখন এই ঘটনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলো। এই ধরনের অপরাধ রোধে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যেন না ঘটে, সেদিকে কর্তৃপক্ষের নজর দেওয়া উচিত।
ফোয়ারা চুরির বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাদির শাহ মহোদয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা ইতিমধ্যে মৌখিক ও লিখিতভাবে থানায় অভিযোগ দিয়েছি যারা এই চুরির সাথে জড়িত আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যেই আইনের আওতায় আনবো।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।