হাওয়াই ব্রিজের ফোয়ারার ১০৫ টি নজেলের মধ্যে ১০৪ টিই চুরি
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা ৫০ লক্ষ মানুষের স্বপ্নের একমাত্র আনন্দ বিনোদন কেন্দ্র খরকা ঝিল হাওয়াই রোড়ে দৃষ্টিনন্দন রঙিন ফোয়ারা থেকে ১০৪ টি কল চুরি হয়েছে।
মাদারগঞ্জে ভ্রমণ পিপাসু মানুষের কাছে এই জায়গাটি ছিলো চিত্ত বিনোদনের একমাত্র ভরসা। কথায় আছে না, চোর না শুনে ধর্মের কাহিনি। তাদের কোন ধর্মীয় বিশ্বাসের বালাই নেই। মাদারগঞ্জের একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র খরকা ঝিল ব্রিজের প্রবেশদারে পানির ফুয়ারার ১০৫টি নজলের ১০৪টি নজেল চুরি হলেও গত শুক্রবার সন্ধায় পৌর কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরে এই নিয়ে শুরু হয় তোলপাড়। এপর্যন্ত কোন খবর পাওয়া যায়নি। মাদারগঞ্জ উপজেলার একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র খরকার হাওয়াই রোড়ের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধিতে পানি ফুয়ারার অবদান অপরিসীম।
প্রশাসনের কাছে মাদারগঞ্জ বাসির দাবি অতিবিলম্বে চোর চক্রকে গ্রেফতার করতে হবে। দূর দূরান্ত থেকে আশা ভ্রমণ পিপাসু জন সাধারণও এ দাবি তুলেছেন । সেই সাথে জরুরি ভিক্তিতে ফুয়ারাটি জরুরি ভাবে সংস্কার করার জন্য কর্তৃপক্ষকে সবিনয়ে অনুরোধ জানান।মাদারগঞ্জের খরকা ঝিল প্রবেশ দ্বারের পানির ফোয়ারার ১০৫টি নজলের মধ্যে ১০৪টি চুরির খবরটি খুবই দুঃখ জনক। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় পৌর কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। এই ধরনের চুরি কেবল আর্থিক ক্ষতিই করে না, বরং একটি এলাকার সৌন্দর্য এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। মাদারগঞ্জ উপজেলা খরকা ব্রিজ দৃষ্টি নন্দিত রঙিন পানির ফোয়ারার কল যন্ত্রণাংশ চুরির বিষয়টি সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে, স্থানীয় প্রশাসন বা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই সংক্রান্ত অনুসন্ধান করে জানা যেতে পারে। এই ফোয়ারাটি স্থানীয় জনগণের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান ছিল, যা এখন এই ঘটনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলো। এই ধরনের অপরাধ রোধে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যেন না ঘটে, সেদিকে কর্তৃপক্ষের নজর দেওয়া উচিত।
ফোয়ারা চুরির বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাদির শাহ মহোদয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা ইতিমধ্যে মৌখিক ও লিখিতভাবে থানায় অভিযোগ দিয়েছি যারা এই চুরির সাথে জড়িত আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যেই আইনের আওতায় আনবো।



আপনার মতামত লিখুন