খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ভোটে বিঘ্ন ঘটায় এমন কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না: ইসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:১১ অপরাহ্ণ
ভোটে বিঘ্ন ঘটায় এমন কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না: ইসি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অব.)। রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ইসি ভবনের অডিটোরিয়ামে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে ব্রিফিং তিনি এ কথা জানান। মো. সানাউল্লাহ বলেন, আজকে আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেছি। মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনী কার্যক্রম চলমান আছে এবং অন্যান্য জায়গায় নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করা হয়েছে।

যে ঘটনাগুলো এর মধ্যে ঘটেছে সেগুলো সম্পর্কে আমরা জানতে চেয়েছি। এগুলোর সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না এবং নির্বাচনী পরিবেশের ওপরে কোনো প্রভাব ফেলছে কিনা সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা সুনির্দিষ্টভাবে কতগুলো নির্দেশনা আজকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে দিয়েছি। এর মধ্যে নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত করে এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না এবং বাহিনী সমূহকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে নির্বাচনের পরিবেশ ক্ষতি করে এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ড নিরুৎসাহিত করতে এবং প্রয়োজনে যা করার তা আপনারা করবেন। এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে শহীদ ওসমান হাদির ক্ষেত্রে যে ঘটনাটা ঘটেছে, আগে থেকে যতটুক তথ্য জানা দরকার ছিল, সেটা কেন পারা গেল না, সেটা নিরূপণ করে ভবিষ্যতে এই ধরনের যে কোনো ধরনের আশঙ্কা নস্যাৎ করতে। এই ধরনের প্রবণতা রোধ করতে যা যা কর্মকাণ্ড হাতে নেওয়া দরকার, তারা যেন সেগুলো নেন আইনের মধ্যে থেকে। 
যৌথ বাহিনীর অভিযান চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে মো. সানাউল্লাহ বলেন, আমরা নির্দেশনা দিয়েছি যে এখন থেকে মাঠ পর্যায়ে যৌথ বাহিনী অপারেশন পুনরায় চালু করতে। সেই যৌথ বাহিনীর অপারেশনের অন্যতম লক্ষ্য হবে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় নিয়ে আসা এবং সার্বিকভাবে সাধারণ মানুষের মাঝে ভোটারদের মাঝে প্রার্থীদের মাঝে দলগুলোর মাঝে একটা আস্থার পরিবেশ তৈরি করা। এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা বিভিন্ন এলাকায় এলাকাভিত্তিক চেকপয়েন্ট এস্টাবলিশ করে অপারেশনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। বিশেষ অভিযান পরিচালনার ব্যাপারে বলা হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রার্থী হিসেবে যাদের মনোনয়ন দিচ্ছেন বা ইন্ডিপেন্ডেন্ট হিসেবে যারা প্রার্থী হিসেবে ইলেকশন করতে চাচ্ছেন তাদের নিরাপত্তার বিষয়েও বলা হয়েছে। যারা নিরাপত্তা চাচ্ছেন তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু জায়গাতে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড হয়েছে।

এই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরোক্ষভাবে হলেও এটা নির্বাচনের পরিবেশের ওপর প্রভাব ফেলেছে। তবে আমাদের প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা থেকে জানানো হয়েছে যে এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে মূলধারার কোনো রাজনৈতিক দলের কোনো সম্পৃক্ততা এখনো পাওয়া যায়নি এবং তারা সবাই এই কর্মকাণ্ডকে সমর্থন না করে বরং এগুলোর বিরূপ প্রভাবের ওপরে আলোকপাত করেছেন এবং এগুলোকে তারা ডিফাই করেছেন। ‘যারা এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আছে তারা যে হোক না কেন—ছোট বা বড়—তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন থেকে কঠোরভাবে বলা হয়েছে।’ নির্বাচন কমিশনার বলেন, শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের এই তদন্তের প্রগ্রেস নিয়েও আমরা জানতে চেয়েছি। আমাদের জানানো হয়েছে এ পর্যন্ত ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। এই ছয়জনই কোনো না কোনোভাবে এটার সঙ্গে সম্পৃক্ত। ওসমান হাদির মৃত্যুর পর প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকা অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে মেসেজ ক্লিয়ার।তিনি বলেন, পোস্টাল ভোট নিয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে। আমাদের মাত্র চার দিন বাকি আছে। পোস্টাল ভোটে যারা ভোট দিতে পারবেন তাদের যেন সময়মত রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়। সেগুলোর জন্য বলা হয়েছে। এর আগে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক পর্যালোচনায় বিভিন্ন বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। নির্বাচন ভবনে দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে এই বৈঠক শুরু হয়। সিইসির সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, তিন বাহিনী প্রধান বা তাদের উপযুক্ত প্রতিনিধি, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি), এনএসআই, ডিজিএফআই, কোস্টগার্ড, বিজিবি, র‍্যাব, আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার অংশ নেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।