খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন

চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জে ভোটের মাঠে এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব এমএ হান্নান

চাঁদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জে ভোটের মাঠে এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব এমএ হান্নান

চিংড়ি প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএ হান্নান

জাতীয়তাবাদী দলের দীর্ঘদিনের ফরিদগঞ্জ উপজেলার আহবায়ক দলের নমিনেশন না পেয়ে চিংড়ি প্রতিকে নির্বাচন করছেন আলহাজ্ব এমএ হান্নান। ধানের শীষের প্রার্থী হারুনুর রশিদ এর গ্রহণযোগ্যতা এলাকাতে তেমন না থাকায় দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ এম এ হান্নানের অবস্থা খুবই ভালো। আগামী ১২ ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে চিংড়ি প্রতীকের বিজয় সুনিশ্চিত বলে এলাকার ভোটারগন অর্থাৎ সাধারণ জনগণ মনে করেন।

এদিকে ধানের শীষ নিয়ে হারুনুর রশিদ এর জনপ্রিয়তা একদম তলানিতে। এলাকার সাধারণ ভোটাররা মনে করেন ধানের শীষ প্রতীক এবার হয়তো তৃতীয় স্থান লাভ করতে পারেন। কেননা জনবিচ্ছিন্ন ধনাঢ্য ব্যক্তি হারুন সাহেব তার নির্বাচনী হলফনামায় ১৬০ কোটি টাকার কথা উল্লেখ করেছেন। জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী তালিকায় যে হেভিওয়েট অর্থাৎ অর্থবিত্তের ঘোষণা দিয়েছেন তার মধ্যে প্রথম পাঁচজনের একজন হচ্ছেন হারুনুর রশিদ।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন এলাকার জন্য বিগত ১৭ বছরে এক কানাকড়িও তিনি উন্নয়ন খাতে খরচ করেননি। এছাড়া বিগত সময়ে এমপি থাকা অবস্থায় এলাকার কোন উন্নয়নে তিনি ভূমিকা রাখতে পারেননি। তাই এলাকার জনগণ এবার জোট বেঁধেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান, জনদরদি, গরিবের বন্ধু আলহাজ্ব এমএ হান্নানকে এমপি হিসেবে বেছে নিতে। বিষয়টি জাতীয়তাবাদী দলের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা হলেও কি অদৃশ্য কারণে একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিকে জাতীয়তাবাদী দলের উচ্চ মহল থেকে মনোনয়ন দেয়া হলো না এটা এলাকাবাসীর বোধগম্য নয়।এলাকাবাসী মনে করেন হান্নান সাহেব স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হয়ে পার্লামেন্টে যাবেন। এ ব্যাপারে সবাই আশাবাদী।

স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায়, ফ্যাসিবাদী আমলেও কোনো অপশক্তি কিংবা কোনো লোভ-লালসা আলহাজ্ব এমএ হান্নানকে আদর্শের জায়গা থেকে বিন্দুমাত্র সরাতে পারেনি। এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ডে তিনি সবসময় জনগণের পাশে ছিলেন। তিনি সবসময় কর্মীদের মাঝে নিজেকে একজন আদর্শবান নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।

তরুণ সমাজ ও যুব সমাজের আইকন তিনি। তাই আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস এলাকাবাসী কখনো তার সঙ্গে মুনাফেকি করবেন না। এসব বিষয়ে আলহাজ্ব এমএ হান্নান এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, বিপ্লবীরা কখনো আপোষ করে না; তারা লড়াই ও সংগ্রামের মাধ্যমেই নিজেদের অধিকার আদায় করে নেয়। আর যারা আপোষ করে, তারা সাহসী নয়, তারা কাপুরুষ। ইনশাআল্লাহ, আমরাই সফল হবো। চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনকে আমরা উন্নয়নের মডেল হিসেবে তৈরী করব।

 

 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।