ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন
চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জে ভোটের মাঠে এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব এমএ হান্নান
চিংড়ি প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএ হান্নান
জাতীয়তাবাদী দলের দীর্ঘদিনের ফরিদগঞ্জ উপজেলার আহবায়ক দলের নমিনেশন না পেয়ে চিংড়ি প্রতিকে নির্বাচন করছেন আলহাজ্ব এমএ হান্নান। ধানের শীষের প্রার্থী হারুনুর রশিদ এর গ্রহণযোগ্যতা এলাকাতে তেমন না থাকায় দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ এম এ হান্নানের অবস্থা খুবই ভালো। আগামী ১২ ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে চিংড়ি প্রতীকের বিজয় সুনিশ্চিত বলে এলাকার ভোটারগন অর্থাৎ সাধারণ জনগণ মনে করেন।
এদিকে ধানের শীষ নিয়ে হারুনুর রশিদ এর জনপ্রিয়তা একদম তলানিতে। এলাকার সাধারণ ভোটাররা মনে করেন ধানের শীষ প্রতীক এবার হয়তো তৃতীয় স্থান লাভ করতে পারেন। কেননা জনবিচ্ছিন্ন ধনাঢ্য ব্যক্তি হারুন সাহেব তার নির্বাচনী হলফনামায় ১৬০ কোটি টাকার কথা উল্লেখ করেছেন। জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী তালিকায় যে হেভিওয়েট অর্থাৎ অর্থবিত্তের ঘোষণা দিয়েছেন তার মধ্যে প্রথম পাঁচজনের একজন হচ্ছেন হারুনুর রশিদ।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন এলাকার জন্য বিগত ১৭ বছরে এক কানাকড়িও তিনি উন্নয়ন খাতে খরচ করেননি। এছাড়া বিগত সময়ে এমপি থাকা অবস্থায় এলাকার কোন উন্নয়নে তিনি ভূমিকা রাখতে পারেননি। তাই এলাকার জনগণ এবার জোট বেঁধেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান, জনদরদি, গরিবের বন্ধু আলহাজ্ব এমএ হান্নানকে এমপি হিসেবে বেছে নিতে। বিষয়টি জাতীয়তাবাদী দলের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা হলেও কি অদৃশ্য কারণে একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিকে জাতীয়তাবাদী দলের উচ্চ মহল থেকে মনোনয়ন দেয়া হলো না এটা এলাকাবাসীর বোধগম্য নয়।এলাকাবাসী মনে করেন হান্নান সাহেব স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হয়ে পার্লামেন্টে যাবেন। এ ব্যাপারে সবাই আশাবাদী।
স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায়, ফ্যাসিবাদী আমলেও কোনো অপশক্তি কিংবা কোনো লোভ-লালসা আলহাজ্ব এমএ হান্নানকে আদর্শের জায়গা থেকে বিন্দুমাত্র সরাতে পারেনি। এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ডে তিনি সবসময় জনগণের পাশে ছিলেন। তিনি সবসময় কর্মীদের মাঝে নিজেকে একজন আদর্শবান নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।
তরুণ সমাজ ও যুব সমাজের আইকন তিনি। তাই আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস এলাকাবাসী কখনো তার সঙ্গে মুনাফেকি করবেন না। এসব বিষয়ে আলহাজ্ব এমএ হান্নান এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, বিপ্লবীরা কখনো আপোষ করে না; তারা লড়াই ও সংগ্রামের মাধ্যমেই নিজেদের অধিকার আদায় করে নেয়। আর যারা আপোষ করে, তারা সাহসী নয়, তারা কাপুরুষ। ইনশাআল্লাহ, আমরাই সফল হবো। চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনকে আমরা উন্নয়নের মডেল হিসেবে তৈরী করব।



আপনার মতামত লিখুন