খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গলাচিপায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান: শ্রীনাথ বাজারের রূপ বদলে দেওয়ার উদ্যোগ

সোহেল রানা (গলাচিপা) পটুয়াখালী
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ
গলাচিপায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান: শ্রীনাথ বাজারের রূপ বদলে দেওয়ার উদ্যোগ

সারাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকায় পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে গলাচিপা সদর ইউনিয়নের শ্রীনাথ বাজারে এক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মূলত এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস এবং বাজারের পরিবেশকে স্বাস্থ্যসম্মত করে গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

বুধবার ১৮/০৪ /২০২৬ সকাল থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে সরাসরি উপস্থিত থেকে তদারকি করেন গলাচিপা সদর ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট মেম্বারগণ। তাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাজারের অলিগলি পরিষ্কারের কাজে অংশ নিতে দেখা যায় ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদারদের (গ্রাম পুলিশ)।

অভিযান চলাকালীন দেখা যায়, শ্রীনাথ বাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে জমে থাকা প্লাস্টিক বর্জ্য, ডাবের খোসা, পলিথিন এবং পরিত্যক্ত ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হচ্ছে। বিশেষ করে ড্রেনগুলোতে যাতে পানি জমে এডিস মশার বংশবিস্তার না ঘটে, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ময়লা অপসারণের পর বিভিন্ন স্থানে ব্লিচিং পাউডার ও মশা নিধনকারী ওষুধ ছিটানো হয়।

পরিচ্ছন্নতা অভিযান সম্পর্কে স্থানীয় ইউপি মেম্বার বলেন, “ডেঙ্গু বর্তমানে একটি বড় উদ্বেগের কারণ। শ্রীনাথ বাজার একটি জনবহুল এলাকা। এই বাজারকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে আমরা সাধারণ মানুষকে ডেঙ্গু মুক্ত রাখার চেষ্টা করছি। আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদাররা অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে এই কাজে সহযোগিতা করছেন। এটি কোনো একদিনের কাজ নয়, আমাদের এই কার্যক্রম নিয়মিত চলমান থাকবে।”

অভিযানে অংশগ্রহণকারী চৌকিদাররা জানান, বাজারের ব্যবসায়ীদের সচেতন করতে তারা প্রতিটি দোকানে গিয়ে ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার অনুরোধ জানাচ্ছেন। জমানো পানি বা স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ দেখলে তা দ্রুত পরিষ্কার করার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।

বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, জনপ্রতিনিধিদের এমন সরাসরি অংশগ্রহণ সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন করবে এবং শ্রীনাথ বাজারের পরিবেশ শ্রীঘ্রই একটি পরিচ্ছন্ন ও আদর্শ বাজারে পরিণত হবে।

সদর ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ইউনিয়নের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও বাজারে পর্যায়ক্রমে পরিচালনা করা হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।