খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মসজিদের ভেতরে সন্ত্রাসী হামলা: গুলিবিদ্ধ লোকমান হাকিম আইসিইউতে

প্রতিনিধি মোঃ আল মামুন
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
মসজিদের ভেতরে সন্ত্রাসী হামলা: গুলিবিদ্ধ লোকমান হাকিম আইসিইউতে

খুলনা দৌলতপুর ওজোপাডিকো ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড ২ এর জামে মসজিদে, গত ১৪/৫/২০২৬ ইং তারিখ ফজরের নামাজের পরে শেখ লোকমান হাকিম পিতা মৃত আব্দুল জব্বার ও আলমকে সন্ত্রাসীরা শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি করে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
সি সি ক্যামেরা ফুটেজে একই সময়ে একটি মোটর বাইকে করে তিন জনকে মুখ বাঁধা অবস্থায় মসজিদের সম্মুখ হতে খুলনার দিকে যেতে দেখা যায়।

আবার একই সময়ে উক্ত মোটর বাইকটি বিদ্যুৎ জামে মসজিদের দুইজন মুসল্লিকে এলোপাথাড়ি গুলি করে ব্রজলাল কলেজের রোড ধরে যেতে দেখা যায়।

জানা যায় ১৪/৬/২০২৬ আনুমানিক ভোর ছয়ঘটিকার সময় দৌলতপুর পশ্চিম কাশিপুর বিএল কলেজ রোড সংলগ্ন ৭ নং ওয়ার্ডে বাসিন্দা শেখ লোকমান হাকিম পিতা মৃত আব্দুল জব্বার ফজরের নামাজের পর আল কোরআন তেলওয়াত কালে তিন সদস্য বিশিষ্ট একদল সন্ত্রাস, মসজিদের মধ্যে প্রবেশ করে বিদ্যুৎ জামে মসজিদের সেক্রেটারি লোকমান হেকিম কে লক্ষ্য করে এলো পাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে প্রথম গুলিটি লোকমান হাকিমের মাথার বাম পাশ বরাবর লেগে বের হয়ে যায়।
পরবর্তী দ্বিতীয় গুলিটি বাম হাতের পিছন বরাবর, তৃতীয় গুলিটি পেট বরাবর, এবং চতুর্থ গুলিটি পা বরাবর পঞ্চম গুলিটি বাহু বরাবর আঘাত করে,
এ সময় সন্ত্রাসীরা মোট সাত রাউন্ড গুলি করে দুইজন মুসল্লির উপরে।

গুলি বিদ্ধ লোকমান হাকিম মসজিদের ফ্লোরেই অচেতন হয়ে পড়ে যায়।
একই সময় পাশে থাকা আলম নামের আরেকজন মুসল্লিকে সন্ত্রাসীরা হাত এবং কণ্ঠ বরাবর গুলি বিদ্ধ করলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় লোকজন লোকমান হাকিমকে পার্শ্ববর্তী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা এভারকেয়ার হাসপাতালে প্রেরণ করে, এবং আলম নামের আর এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মসজিদ থেকে নিজ বের হয়ে তার স্বজনদের কাছে গেলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এবং একটি সময়ে আলমের অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দেন চিকিৎসকরা।

বিদ্যুৎ মসজিদের সেক্রেটারি লোকমান হাকিম কে কেন গুলি করা হয়েছে সুনিদৃষ্ট করে পুলিশ তদন্তে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
তবে এলাকার সূত্রে জানা গেছে লোকমান হাকিম স্থানীয়ভাবে একজন জ্বালানি তেলের ব্যবসায়ী ও ঠিকাদার, একই সাথে ওজপাডিকোর ঠিকাদারেরও কাজ করে থাকে।
লোকমান হাকিমকে ভাড়াটিয়া খুনিদের মাধ্যমে গুলি করার কারণ থাকতে পারে ভিন্ন, ভিন্ন যার মধ্য ব্যবসায়ী দ্বন্দ্ব, পূর্ব শত্রুতার জের, এবং মসজিদের আধিপত্য বিস্তার ও কমিটি সংক্রান্ত দ্বন্দে পূর্বপরিকল্পিত কিলিন টার্গেটে যোগ দিয়েছিল ভাড়াটিয়া খুনিরা।

সন্ত্রাসী আক্রমণের পর গুরুতর আহত লোকমান হাকিমকে তার পরিবারের লোকজন উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করলে, গুলিবিদ্ধ শরীরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।
রিপোর্টটি লেখা পর্যন্ত গুলি বিদ্ধ লোকমান কে এভার কেয়ারের আই সি ইউ তে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে লোকমান হাকিমের ভাই শেখ জহুরুল ইসলাম প্রফেসর ব্রজলাল কলেজ দৌলতপুর।

তবে স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে কুলিবাগান থানা, উক্ত ঘটনায় আসামেদেরকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অভ্যত রেখেছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।