খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইউনিয়নভিত্তিক ব্যাপক উন্নয়ন প্রকল্প ঘোষণা

ফরিদগঞ্জে উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা

চাঁদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
ফরিদগঞ্জে উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলাজুড়ে নতুন অর্থবছরে ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় অবকাঠামো, যোগাযোগ, শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, কবরস্থান ও জনসেবামূলক বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এম. এ. হান্নানের উদ্যোগে গৃহীত এসব প্রকল্পে গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন, ইটের সলিং, গাইডওয়াল নির্মাণ, মাঠ ভরাট, রাস্তা সংস্কার এবং গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক স্থাপনার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ইউনিয়নভিত্তিক প্রকল্প তালিকা প্রকাশ করা হলে স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে।
প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী বালিথুবা, সুবিদপুর, গুপ্টি, পাইকপাড়া, গোবিন্দপুর, রূপসা, চরদুঃখিয়া, ফরিদগঞ্জ দক্ষিণসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কোথাও গ্রামীণ কাঁচা রাস্তা উন্নয়ন, কোথাও সংযোগ সড়কে ইটের সলিং, আবার কোথাও কবরস্থান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনার অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যাতে সহজে চলাচল করতে পারে, কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাত করতে পারে এবং শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারে—সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই প্রকল্পগুলো নির্বাচন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নে স্কুল মাঠ ভরাট, গাইডওয়াল নির্মাণ, কবরস্থান সংস্কার ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নের কাজও অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। ফরিদগঞ্জ পৌরসভায়ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কাশিয়াড়া রিফিউজি কলোনি কবরস্থানের মাটি ভরাট এবং উপজেলা পরিষদের পুরাতন গেট সংস্কার উল্লেখযোগ্য।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ঘোষিত প্রকল্পগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হলে ফরিদগঞ্জের গ্রামীণ অর্থনীতি, নাগরিক সুবিধা ও জনজীবনে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের অবহেলিত অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধান হওয়ার পাশাপাশি উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এম. এ. হান্নান বলেন,
“উন্নয়ন তখনই অর্থবহ হয়, যখন তার সুফল সাধারণ মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনে। ফরিদগঞ্জের প্রতিটি ইউনিয়নের জনগণের চাহিদা ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়েই এসব প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও বাসযোগ্য ফরিদগঞ্জ গড়ে তুলতে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, জনগণের অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমেই উন্নয়নের এই ধারাকে আরও গতিশীল করা হবে।
উপজেলাবাসীর প্রত্যাশা, ঘোষিত প্রকল্পসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে ফরিদগঞ্জে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।