খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

নোয়াখালীতে স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের পর প্রবাসীর আত্মহত্যার অভিযোগ, মরদেহ উদ্ধার

এম এ রহমান - নোয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
নোয়াখালীতে স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের পর প্রবাসীর আত্মহত্যার অভিযোগ, মরদেহ উদ্ধার

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এক প্রবাসী আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ নয় বছর প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফেরার মাত্র কয়েকদিনের মাথায় তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার নদনা ইউনিয়নের দক্ষিণ শাকতলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে আনোয়ার হোসেন (৩৫) নামের ওই প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আনোয়ার হোসেন স্থানীয় কেরামত আলী বেপারী বাড়ির মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কুয়েতে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসে অবস্থানকালে আনোয়ার নিয়মিত উপার্জিত অর্থ স্ত্রী আকলিমা আক্তারের কাছে পাঠাতেন। সেই অর্থ দিয়ে পরিবারের নামে সম্পদও ক্রয় করা হয়। এদিকে প্রায় ছয় মাস আগে দুই সন্তানের জননী আকলিমা আক্তার স্বামীর দূর সম্পর্কের এক ভাগনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ নিয়ে বাড়ি ছেড়ে গিয়ে ওই যুবককে বিয়ে করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রায় ৯ থেকে ১০ দিন আগে কুয়েত থেকে দেশে ফেরেন আনোয়ার হোসেন। দেশে ফিরে তিনি সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন এবং সংসার টিকিয়ে রাখার উদ্যোগ নেন। তবে একপর্যায়ে তার স্ত্রী যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে পরিবারের দাবি।

স্বজনরা জানান, গত শনিবার আকলিমা আক্তার তার স্বামীর কাছে তালাকের নোটিশ পাঠান। এরপর থেকেই তিনি চরম মানসিক অস্থিরতায় ভুগছিলেন। পরিবারের ধারণা, অপমানবোধ, হতাশা ও পারিবারিক সংকটের কারণে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

ঘটনার পর নিহতের পরিবার এ ঘটনার জন্য আকলিমা আক্তারকে দায়ী করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

তিনি বলেন, “এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।