খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

যমজ বোনের সঙ্গে যমজ ভাইয়ের বিয়ে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৯:৪০ অপরাহ্ণ
যমজ বোনের সঙ্গে যমজ ভাইয়ের বিয়ে

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ব্যতিক্রমী এক বিয়ের আয়োজন ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কষ্টাপাড়া গ্রামে যমজ দুই বোনের সঙ্গে যমজ দুই ভাইয়ের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বিরল এই বিয়ে দেখতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক মানুষ ভিড় করছেন বিয়েবাড়িতে।

বুধবার (১৭ জুন) কষ্টাপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের যমজ দুই মেয়ে সুমাইয়া আক্তার ও সোনিয়া আক্তারের বিয়ে সম্পন্ন হয়। তাদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রাজিবপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. নুরুল আলমের যমজ দুই ছেলে মো. আব্দুর রাজ্জাক ও মো. আব্দুল জব্বার।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুই ভাই বর্তমানে দুবাই প্রবাসী। মো. আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে সুমাইয়া আক্তারের এবং মো. আব্দুল জব্বারের সঙ্গে সোনিয়া আক্তারের বিয়ে তিন লাখ টাকা করে মোট ছয় লাখ টাকা দেনমোহরে সম্পন্ন হয়।

বিয়ের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। একনজর যমজ নবদম্পতিদের দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ বিয়েবাড়িতে ভিড় জমান। কেউ দাওয়াত পেয়ে, আবার কেউ কৌতূহলবশত সেখানে উপস্থিত হন।

স্থানীয়রা জানান, এমন বিয়ে সচরাচর দেখা যায় না। তাই অনেকেই নবদম্পতিদের দেখতে এসেছেন। একই সঙ্গে তারা নবদম্পতিদের সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা ও দোয়া করছেন।

যমজ দুই ভাই জানান, ছোটবেলা থেকেই তারা একসঙ্গে বেড়ে উঠেছেন এবং তাদের ইচ্ছা ছিল যমজ দুই বোনকে বিয়ে করার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের একপর্যায়ে যমজ দুই বোনের সন্ধান পান তারা।

তারা বলেন, “আমরা দুই যমজ ভাই, দুই যমজ বোনকে বিয়ে করতে পেরে খুবই আনন্দিত। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।”

যমজ দুই মেয়ের চাচা রফিকুল ইসলাম মনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং এলাকার এক শিক্ষকের সহায়তায় যমজ দুই ভাতিজির জন্য যমজ দুই পাত্রের সন্ধান পাওয়া যায়। ভাতিজি দুজন এবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং দুই পাত্রই লেখাপড়া শেষ করে বর্তমানে প্রবাসে কর্মরত।

তিনি বলেন, “আল্লাহ তাআলা তাদের জুটি মিলিয়ে দিয়েছেন। আমরা সবাই খুবই খুশি।”

যমজ দুই ছেলের বাবা মো. নুরুল আলমও সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “যমজ দুই ছেলের জন্য যমজ দুই মেয়েকে পুত্রবধূ হিসেবে পেয়ে আমি অনেক আনন্দিত।”

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।