খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আদালতে মামলা

মেহেরপুরে পুত্রবধূ কে ধর্ষণের চেষ্টা

লিটন মাহমুদ : মেহেরপুর
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
মেহেরপুরে পুত্রবধূ কে ধর্ষণের চেষ্টা

গাংনী ( মেহেরপুর)  প্রতিনিধিঃ মেহেরপুর শহরের মন্ডলপাড়ায় এক পুত্রবধূকে ধর্ষণের চেষ্টায় আলফাজ উদ্দিন মধু নামের এক শশুরের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন পুত্রবধূ। মেহেরপুর জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে আজ  বৃহস্পতিবার দুপুরে পুত্রবধূ তার আপন শশুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টা মামলা দায়ের করে।
‎
আদালতের বিচারক শেখ মাসুদ আলী মামলা টি মেহেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি কে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদানের নির্দেশ দেন। পিটিশন মামলা নং ৪৪/২৬
‎
অভিযুক্ত শশুর আলফাজ উদ্দিন মধু শহরের মন্ডল পাড়ার মৃত সলিম শাহের ছেলে। অভিযোগকারী পুত্রবধূ আশরাফপুর গ্রামের তসেম আলীর মেয়ে। আট মাস পূর্বে আলফাজ উদ্দিন মধুর ছেলে শাফিউল এর সাথে পারিবারিক ভাবে তার বিয়ে হয়।
‎
‎জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিটর পিপি এ্যাড: মোস্তাফিজুর রহমান পিটিশন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য সদর থানার অফিসার ইনচার্জ কে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী হিসেবে আদালতে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মারুফ আহমেদ বিজন।
‎
‎মামলার বিবরনে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ রাতে বাড়ির লোকজন হাসপাতাল যায়। স্বামী সাফিউল তার পিতার সাথে রাগারাগি করে বোনের বাড়িতে অবস্থান করে। এই সুযোগে মধ্যরাত্রে পূত্রবধুর ঘরে তার শশুর আলফাজ উদ্দিন মধু প্রবেশ করে জোর করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় সে নিজের ইজ্জত বাঁচাতে শশুরের সাথে ধস্তাধস্তি  শুরু করেন।
‎
এই সুযোগে লম্পট শ্বশুর তার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শ  স্থানে হাত দেন বলেও মামলায় উল্লেখ করেন। ঘটনার দিন সকালে পূত্রবধূর স্বামী শাফিউল বাসায় ফিরলে তার সাথে ঘটে যাওয়া রাতের ঘটনা খুলে বললে সে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে না।
‎
এ ঘটনায় পুত্রবধূ নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বাপের বাড়ি আশরাফপুর ফিরে যান। পরবর্তীতে পূত্রবধূর কোন খোঁজ খবর তার স্বামী বা শশুর নেয়নি। গত তিন সপ্তাহ আগে তার শশুর আলফাজ উদ্দিন মধু  পুত্রবধূর স্বামী শাফিউলকে আবারো তৃতীয় তালাকপ্রাপ্ত  স্ত্রীর সাথে বিয়ে দিয়ে  বাড়ি নিয়ে আসেন।
‎
বিয়ের বিষয়টি জানতে পেরে পূত্রবধূ তার শ্বশুর বাড়ি গেলে লম্পট শশুর আবারো তাকে বলে যে তার শর্ত মেনে নিলে তাকেই বাড়িতে রাখবে। পুত্রবধূ মামলায় আরো বলেন, আলফাজ উদ্দিন মধুর ছেলে শাফিউল তাকে তালাক না দিয়ে তার তালাকপ্রাপ্ত তৃতীয় স্ত্রীকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
‎
এর আগেও সে তিনটা বিয়ে করেছিলো। আমি চার নম্বর স্ত্রী হিসেবে বাড়িতে ছিলাম। পূর্বের পুত্রবধূর  সাথেও তার শশুর এই ধরনের আচরণ ও ধর্ষণের চেষ্টা চালান বলে তারা বাড়ি ছেড়ে চলে যায়।
‎

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।