খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

খুলনায় টিভিইটি শিক্ষা প্রসারে বিভাগীয় সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৯:৪১ অপরাহ্ণ
খুলনায় টিভিইটি শিক্ষা প্রসারে বিভাগীয় সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত

কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) শিক্ষার গুরুত্ব, কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা এবং ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে খুলনায় বিভাগীয় সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) খুলনা সরকারি মহিলা কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ সেমিনারে খুলনা বিভাগের সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, অধ্যক্ষ, শিক্ষক প্রতিনিধি, ইমামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন Md. Ruhul Amin, চেয়ারম্যান, Bangladesh Technical Education Board। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কারিকুলাম স্পেশালিস্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. ফারুক রেজা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন Dr. Md. Anis R Reza, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, খুলনা অঞ্চলের পরিচালক; Animesh Pal, খুলনা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ; Kazi Neyamul Shaheen এবং Sushanta Kumar Saha, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়, খুলনার ভারপ্রাপ্ত পরিচালক।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিল্পায়ন, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং যুবসমাজের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমান বিশ্বে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা টেকসই উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, শুধু সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, শিক্ষার্থীদের দক্ষতানির্ভর মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে টিভিইটি শিক্ষার প্রসার আরও বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মো. রুহুল আমিন বলেন, “স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। কারিগরি শিক্ষা তরুণদের কর্মমুখী দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করে তোলে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম করে।”

তিনি জানান, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড যুগোপযোগী পাঠ্যক্রম প্রণয়ন, কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করছে।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক প্রতিনিধি ও ইমামরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে টিভিইটি শিক্ষার প্রচার, শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধকরণ এবং ভর্তি কার্যক্রমে সক্রিয় সহযোগিতার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

দক্ষ বাংলাদেশ গঠনে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বানের মধ্য দিয়ে সেমিনারের সমাপ্তি ঘটে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।