খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ ইউএনও গলাচিপার ইজাজুল হক

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১:৫২ অপরাহ্ণ
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ ইউএনও গলাচিপার ইজাজুল হক

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে অসাধারণ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নির্বাচিত হয়েছেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ইউএনও আবুজর মো. ইজাজুল হক।

চলতি বছরের মে মাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শূন্য থেকে এক বছর বয়সী শিশুদের জন্ম নিবন্ধন এবং সব বয়সী মানুষের মৃত্যু নিবন্ধনের সূচকে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার ৪২টি উপজেলার মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে গলাচিপা উপজেলা।

রবিবার (২১ জুন) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। এ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর হাত থেকে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন ইউএনও আবুজর মো. ইজাজুল হক।

বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে গলাচিপা উপজেলায় জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪২৮টি। এর বিপরীতে সম্পন্ন হয়েছে ৪২৯টি নিবন্ধন, যা লক্ষ্যমাত্রার ১০০ দশমিক ২৩ শতাংশ। একই সময়ে মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ১১৬টি লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২১৯টি নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে, যা ১৮৯ শতাংশ। দুই সূচক মিলিয়ে গড় সাফল্যের হার দাঁড়িয়েছে ১৪৫ শতাংশ।

মে মাসের মূল্যায়নে বিভাগের অন্যান্য জেলার শীর্ষ উপজেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে পিরোজপুরের কাউখালী (১০৫ শতাংশ), বরগুনার বামনা (১০২ দশমিক ৫ শতাংশ), ভোলা সদর (৯০ দশমিক ৫ শতাংশ), ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া (৮৯ শতাংশ) এবং বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা (৬০ দশমিক ৫ শতাংশ)।

এই অর্জন সম্পর্কে ইউএনও আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, “এ সাফল্য আমাদের সবার। আমি কেবল সমন্বয় ও তদারকির দায়িত্ব পালন করেছি। প্রকৃত কৃতিত্ব মাঠপর্যায়ের কর্মীদের। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সচিব, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং গ্রাম পুলিশ সদস্যরা আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করতে উপজেলা প্রশাসন ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবে।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের ৫০৭টি উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে ‘দেশসেরা’ ইউএনও নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন আবুজর মো. ইজাজুল হক। ধারাবাহিক এ সাফল্য গলাচিপা উপজেলা প্রশাসনের কার্যকর নেতৃত্ব ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।