খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

শিক্ষক দম্পতি কারাগারে 

চট্টগ্রাম অফিস 
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ
শিক্ষক দম্পতি কারাগারে 

জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানাভূক্ত আসামী ও চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার ৫৫নং রহমতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার (৪২) ও তার স্ত্রী হ্যাপী রানী নন্দী (৩৫) আদালতে এসে আত্মসমর্পন পূর্বক জামিন চাইতে গেলে আদালত শুনানী শেষে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন। সম্প্রতি চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ৬ষ্ঠ আমলী আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এস.এম আলাউদ্দিন মাহমুদ এই আদেশ দেন। শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার সন্দ্বীপ উপজেলার রহমতপুর ৩নং ওয়ার্ডের মৃত ধীরেন্দ্র মজুমদারের পুত্র।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বিগত ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখে সন্দ্বীপ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ৪৪২৯ নং পাওয়ার অব অ্যাটর্নিমূলে জমি রেজিস্ট্রি করেন এবং ২০২৩ সালের ৯ মে তারিখে ১৯৫৭ নং রেজিস্ট্রিকৃত সাফ কবলা ও একই সালের ৮ জুন তারিখে ২৩৩১ ও ২৫৩২ নং সাফ কবলা রহমতপুরের একটি জায়গার রেজিস্ট্রি করান শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার গং। তারা প্রতারণার মাধ্যমে জাল দলিলকে বৈধ দলিল হিসেবে ব্যবহার করে সন্দ্বীপ সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে আবেদন করে ৪৩১০ নং বি.এস খতিয়ান সৃজন করেন এবং বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট জমি বিক্রি করতে থাকেন।এর প্রতিবাদ করায় ২০২৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সকালে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর হাউজিং সোসাইটি এলাকার আই-ব্লক এলাকায় একা পেয়ে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রতন কান্তি দাশের উপর হামলা করেন শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার গং। এ ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রতন দাশ বাদী হয়ে সিএমএম আদালতে একটি সি.আর মামলা করেন। মামলা নং-৭২৪/২৫ (হালিশহর), ধারা-৪০৬/৪২০/৩৪ দঃবিঃ।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতে পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্টোকে নির্দেশ দেন। পিবিআই’র নিরপেক্ষ দীর্ঘ তদন্তে প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে জায়গা রেজিস্ট্রি এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে মারধরের ঘটনা প্রমাণিত হয়। পিবিআই থেকে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে প্রেরণ করার পর আদালত মামলার অভিযুক্ত সন্দ্বীপ উপজেলার ৫৫নং রহমতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার ও তার স্ত্রী হ্যাপী রানী নন্দীসহ অপরাপর আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেন। গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর খবর পেয়ে সন্দ্বীপ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ম্যানেজ করে শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার দুই দফায় চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকেন। গতকাল ১৭ জুন বুধবার মামলার আসামী শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার দম্পতি চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ৬ষ্ঠ আমলী আদালতে এসে আত্মসমর্পন করে জামিন চাইতে গেলে আদালত শুনানী শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এ মামলার অপরাপর আসামীরাও ইতোপূর্বে জামিনের জন্য আদালতে আত্মসমর্পন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল-হাজতে প্রেরণ করেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফিরোজ আহমদ জানান, শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার ও তার স্ত্রী হ্যাপী রানী নন্দী একটি মামলায় জেলে থাকার খবর পেয়েছি। সন্দ্বীপ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে এ ব্যাপারে সুষ্ঠু তদন্ত করে আগামী ২২ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে চিঠি দিয়েছি। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়া সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।