খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চুনারুঘাটে শালটিলা বন বিটে বিভিন্ন প্রজাতি ২৫ হাজার চারা রোপণ

(হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
চুনারুঘাটে শালটিলা বন বিটে বিভিন্ন প্রজাতি ২৫ হাজার চারা রোপণ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় শালটিলা বন বিটে ১৫ হেক্টরে বিভিন্ন প্রজাতি ২৫ হাজার গাছের নতুন চারা রোপণ করা হয়েছে । জানাযায় , চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলার আংশিক পাহাড়ি বনাঞ্চল এলাকা নিয়ে রঘুনন্দন বন রেঞ্জ অবস্থান। জীব বৈচিত্র্য ভরপুর এ বনে আছে দুর্লভ প্রাণী ও বিরল প্রজাতির গাছ পালা। উক্ত রঘুনন্দন বন রেঞ্জ অধীনে রয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৩৬০ হেক্টর বন ভূমি মধ্যে শালটিলা , শাহজীবাজার , শাহপুর , জগদীশপুর বন বিট অফিস । এই চার বন বিট নিয়ে রঘুনন্দন রেঞ্জ। তবে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনে বিরূপ প্রভাব নিরসনে বর্ষা মৌসুমে সিলেট বিভাগে পূর্ণ বনায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে আওতায় সোমবার (২১ জুন) সকাল থেকে উপজেলার শালটিলা বন বিট ১০ হেক্টর নিয়ে বিভিন্ন প্রজাতি কাঠের গাছ , ঔষধী গাছ ও ফলের গাছের নতুন চারা রোপণ শুরু হয় । পর্যায়ক্রমে প্রতিদিন নতুন চারা রোপণ করে যাচ্ছে । রঘুনন্দন বন রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এ সিএফ) কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হোসেন ভূইয়া বলেন , উক্ত রেঞ্জে শাল, সেগুন, আগর, গর্জন , চাপা লিশ , মেহগনি , কৃষ্ণ চূড়া , ডুমুর , জাম, জামরুল , সিধা জারুল , আওয়াল, মালেকাস, আকাশমণি , বাঁশ , বেত, আম, কাঁঠাল , আমলকী , হরিতকী , কলাগাছ সহ নানা ঔষধি, ফল ও কাঠের গাছ রয়েছে কিন্তু অনেক গাছ মরে গেছে। ফল খেয়ে বন্য প্রাণী জীবন রক্ষা পাচ্ছে। সেই সঙ্গে চারপাশে অক্সিজেন ও মিলছে । তিনি আরো বলেন , এই বনের ভেতর রয়েছে , বানর, উল্লুক, চশমাপরা হনুমান , শিয়াল , নেউল, মেছোবাঘ , মেছো বিড়াল , মায়া হরিণের বিচরণ। আছে নানা প্রজাতির বিষধর সাপ । এমনকি বনমোরগ, কাঠঠোকরা , ময়না, সারু, চরই, টুনটুনি , টিয়া , ডুপি, কাঁক, ভিমরাজ , শ্যামা, ঝুটি পাঙ্গু, শালিক, হলদে পাখি সহ প্রভৃতি পাখির নির্ভর বিচরণ রয়েছে । অপর দিকে শালটিলা বন বিট কর্মকর্তা মোঃ মোহাইমিনুল ইসলাম সানি বলেন , রঘুনন্দন রেঞ্জে ৪ টি বন বিটে প্রহরী সহ ১৮ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী রয়েছে। অল্প সংখ্যক জনবল দিয়েই রেঞ্জের মূল্যবান গাছ , বন্য প্রাণী ও বন ভূমি বনাঞ্চল রক্ষায় কোনো রকম চলে চার বন বিটের কাজ এবং লাঠ ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে চলে নিরাপত্তা কাজ । নিরাপত্তা রক্ষী সহ কর্মকর্তা – কর্মচারীদের নেই ভালো আবাসন থাকার ব্যবস্থা। তৎকালীন পাকিস্তান সরকার আমলে তৈরি বন বিট অফিস ও কর্মকর্তা – কর্মচারীদের আবাসন নির্মাণ করে ছিল । বর্তমানে অফিস ভবন নির্মান হয়েছে কিন্তু আবাসিক ভবন গুলো জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে । জগদীশপুর বন বিট কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন , রঘুনন্দন রেঞ্জ অধীনে কোন কোন বন বিট অফিসে সামনে নার্সারি মধ্যে নানা প্রজাতি কাঠ গাছ, ফলের গাছ ও ঔষধি গাছ চারা প্রস্তুত করে থাকে । নিয়ম মেনে চারা গুলো বনে রোপন করা হয় । বিশেষ করে কাঠ, ঔষধি ও ফলের নানা প্রকার গাছ রয়েছে । এসব গাছ করার পর বন্য প্রাণীর অনেক উপকার হচ্ছে । প্রাণীর বিচরণ বাড়ছে । বনের মধ্যে অবস্থান করলে মনে প্রশান্তি আসে । সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় , শালটিলা বন বিট ও জগদীশপুর বনবিটে নতুন অফিস ভবন নির্মান হওয়ায় কার্যক্রম চলে কিন্তু কর্মকর্তা – কর্মচারীদের আবাসিক ভবন নেই । পুরাতন ভবন গুলো জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ফলেশাহজীবাজার বন বিট নীচে সাইন বোর্ড আছে কিন্তু পাহাড়ের ওপর বন বিট অফিস ও আবাসিক ভবন নেই । তবে শাহপুর বন বিট থেকে বন প্রহরীরা এসে খোলা আকাশের নীচে বনাঞ্চল পাহারা দিচ্ছে খুব কষ্টে ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।