খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

একটু বৃষ্টিতেই বন্ধ হয় পাঠদান: গলাচিপার কল্যাণ কলস গার্লস স্কুলের করুণ দশা

সোহেল রানা পটুয়াখালী
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
একটু বৃষ্টিতেই বন্ধ হয় পাঠদান: গলাচিপার কল্যাণ কলস গার্লস স্কুলের করুণ দশা

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘কল্যাণ কলস গার্লস স্কুল’-এর অবস্থা বর্ষা মৌসুমে অত্যন্ত করুণ রূপ ধারণ করেছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষকরা। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের, চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে তাদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন।

সরেজমিনে গিয়ে এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্ষার এই মৌসুমে বিদ্যালয়টির সার্বিক পরিবেশ এতটাই নাজুক হয়ে পড়ে যে, শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসা-যাওয়া এক প্রকার অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। একটু বৃষ্টি হলেই শ্রেণিকক্ষে বসে ক্লাস করার মতো পরিবেশ থাকে না। স্কুল প্রাঙ্গণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়া এবং শ্রেণিকক্ষের নাজুক অবস্থার কারণে বৃষ্টি শুরু হলেই শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার কথা ভেবে পাঠদান বন্ধ রাখা ছাড়া শিক্ষকদের আর কোনো উপায় থাকে না।

 

শিক্ষার্থীরা জানায়, বর্ষাকাল এলেই তাদের মনে এক ধরনের আতঙ্ক কাজ করে। সামান্য বৃষ্টিতে ক্লাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ঠিকমতো সিলেবাস শেষ হচ্ছে না, ফলে তাদের পরীক্ষার ফলাফল নিয়েও দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

 

অন্যদিকে, শিক্ষকরাও প্রকাশ করেছেন তাদের চরম অসহায়ত্বের কথা। তারা জানান, শিক্ষার্থীদের পাঠদানের প্রতি তাদের আন্তরিকতার কোনো অভাব নেই, কিন্তু প্রতিকূল পরিবেশের কারণে নিরুপায় হয়েই তাদের ক্লাস বন্ধ রাখতে হয়। একটি বালিকা বিদ্যালয়ের এমন করুণ দশা এলাকার নারী শিক্ষার প্রসারে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

 

এ বিষয়ে অভিভাবক ও স্থানীয় জনসাধারণ গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের জোর দাবি, অনতিবিলম্বে বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত সংস্কার এবং জলাবদ্ধতা বা পানিবন্দি অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।

 

দ্রুততম সময়ের মধ্যে কল্যাণ কলস গার্লস স্কুলের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা না হলে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন আরও চরম হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিষয়টি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন—এমনটাই প্রত্যাশা কলাগাছিয়া ইউনিয়নবাসীর।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।