খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে গ্রাম আদালতকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ
অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে গ্রাম আদালতকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান

অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে গ্রাম আদালতকে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও জাতীয় প্রকল্প পরিচালক সুরাইয়া আখতার জাহান। বিভাগীয় পর্যায়ে জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের সাথে গ্রাম আদালত বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। সভায় সভাপতিত্ব করেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল।

বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্প (৩য় পর্যায়) এর আওতায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে শনিবার (২৭ জুন) সিলেটের একটি অভিজাত হোটেলের সম্মেলনকক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের আওতাধীন সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের সকল জেলা তথ্য অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

গ্রাম আদালত সম্পর্কে প্রধান অতিথি বলেন, বিচারিক দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে স্বল্প খরচে বিচারিক সেবা প্রদানই এর লক্ষ্য। গ্রাম আদালত মূলত একটি মীমাংসামূলক পদ্ধতি। সাধারণ ফৌজদারী ও দেওয়ানী মামলাগুলোর মীমাংসা এখানে হয়ে থাকে।মামলা শুনানি কার্যক্রম শুরুর অনধিক ৯০ দিনের মধ্যে এর নিষ্পত্তি করতে হয়। দেওয়ানী মামলার জন্য ২০ টাকা ও ফৌজদারী মামলার জন্য ১০ টাকা ফি নেয়া হয়। এ বিচারব্যবস্থায় সামাজিক সম্প্রীতি বজায় থাকে বলে উল্লেখ করেন তিনি।।

গ্রাম আদালতকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের দায়িত্ব সম্পর্কে তিনি বলেন, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর সরকারের একমাত্র আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠান যারা মাঠ পর্যায়ে সরকারের প্রচারণামূলক কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়ন করে। ব্যপক প্রচারণার মাধ্যমে গ্রাম আদালতকে সক্রিয় ও জনপ্রিয় করতে জেলা তথ্য অফিসগুলোকেই এগিয়ে আসতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি প্রচারণার পাশাপাশি প্রান্তিক জনগণের চাহিদার দিকে খেয়াল রেখে তাদের উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে গ্রাম আদালতের সেবার বিস্তৃতি ঘটানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রকল্পের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, গ্রাম আদালতের প্রকৃত সুবিধাভোগী হচ্ছে দরিদ্র, প্রান্তিক ও ছিন্নমূল মানুষ যাদের সাধারণ বিচারিক আদালতে মামলা করার সামর্থ্য নেই।। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা সরকারের এ সেবা সম্পর্কে অবগত নয়। জনগণ না জানার কারণে এ অসাধারণ উদ্যোগটি আশানুরূপ সাফল্য পাচ্ছে না। তবে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর দায়িত্ব পাওয়ায় আগামি দুই বছরের মাঝে প্রচারণার পাশাপাশি দেশের ১৮ কোটি মানুষের কাছে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম হাতে কলমে তুলে ধরার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি বলেন, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর অতীতেও যে কোন প্রচার কার্যক্রম দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়ন করে জনগণের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। জেলা তথ্য অফিসের দক্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ তাদের সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী প্রচারণা কৌশলের মাধ্যমে গ্রাম আদালতকেও সর্বস্তরের মানুষের কাছে তুলে ধরবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন

স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মোঃ আনোয়ার ইমাম, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের পরিচালক (কারিগরি ও প্রশিক্ষণ) মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন এবং পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) সৈয়দ এ. মু’মেন। সভায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরে পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন দেন গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্প (৩য় পর্যায়) এর জাতীয় প্রকল্প সমন্বয়ক বিভাস চক্রবর্তী এবং প্রকল্পের সিলেট জেলার ব্যবস্থাপক শওকত হাসান।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।