খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া মাদক নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া মাদক নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব

 মহানগরীতে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও কিশোর অপরাধ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করছে। মাদক ও কিশোর গ্যাং একে অপরের পরিপূরক হয়ে সমাজে অপরাধের বিস্তার ঘটাচ্ছে। মাদকের প্রভাবে বিচারবোধ নষ্ট হয়ে খুন, ধর্ষণ, সহিংসতা ও অন্যান্য জঘন্য অপরাধের প্রবণতাও বাড়ছে। রোববার ( ২৮ জুন) নগরীর জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী যুব বিভাগের উদ্যোগে যুব র‍্যালি অনুষ্ঠানের পূর্ব সমাবেশে র‍্যালি পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরের আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, আইনের নিরপেক্ষ ও কঠোর প্রয়োগ এবং মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। একই সঙ্গে সীমান্ত দিয়ে মাদক প্রবেশ বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহি নিশ্চিত এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনকে সমন্বিতভাবে নৈতিক শিক্ষা, সচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। অভিভাবকদের সন্তানদের চলাফেরা, বন্ধু নির্বাচন ও জীবনযাপনের প্রতি নজরদারি বাড়াতে হবে। রাষ্ট্র, সমাজ ও পরিবার সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করলেই মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের ভয়াবহতা নিয়ন্ত্রণ করে একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী বলেন, সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে চায় জামায়াতের যুব বিভাগ। দেশের কিশোর ও তরুণ সমাজ যেন কোনোভাবেই এই মরণব্যাধির ফাঁদে না পড়ে, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সচেষ্ট। তিনি আরও বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। তাই মাদকবিরোধী আন্দোলনকে কেবল একটি দিবসের কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতিটি মহল্লা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক পরিসরে গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। তরুণদের নৈতিক, মানবিক ও আদর্শিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। তাহলেই মাদকমুক্ত, সুস্থ ও নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণ সম্ভব হবে।

চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুব কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালীর সভাপতিত্বে এবং যুব কমিটির সেক্রেটারি আ ন ম জোবায়েরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত র‍্যালি ও সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি এস. এম. লুৎফর রহমান, যুব কমিটির নগর সহ-সভাপতি মুহাম্মদ ইসমাইল, পাঁচলাইশ থানা আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমি, ১৫ নম্বর বাগমনিরাম ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী তাওসীফ সুলতান রাফি এবং ফিরিঙ্গিবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী ওয়াসি উদ্দিন আনসারী। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন নগর জামায়াতের অফিস সম্পাদক হামেদ হাসান ইলাহী, সদরঘাট থানা জামায়াতের আমীর আব্দুল গফুর, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী, কোতোয়ালী থানা সেক্রেটারি মোস্তাক আহমদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।