খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সম্মিলিতভাবে প্রধানমন্ত্রীর মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে : সিসিক প্রশাসক

সিলেট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ১:২৫ পূর্বাহ্ণ
সম্মিলিতভাবে প্রধানমন্ত্রীর মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে : সিসিক প্রশাসক

সিলেট সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) সকালে পৃথকভাবে আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

 

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

 

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টি এবং বৃক্ষরোপণের অভ্যাস গড়ে তুলতে এ ধরনের কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শিশু যদি অন্তত একটি গাছের দায়িত্ব নেয়, তাহলে ভবিষ্যতে একটি সবুজ ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

 

সিসিক প্রশাসক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুটির সার্বিক উন্নয়নে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

 

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশব্যাপী মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ স্লোগানে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রায় ২৯ হাজার মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এর মূল লক্ষ্য পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করা।

 

সিলেট সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জায়েদা গুলশান সিদ্দিকা, সহকারী প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) লায়লা নার্গিস, সহকারী প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) ছালেহ আহমদ, সহকারী শিক্ষক ইশতিয়ার হোসেন মুনশি, সিনিয়র শিক্ষক কোহেলী রানী রায়, সুভাষ চন্দ্র নাথ, সুপ্রতিম রায়, সমীরন দাস, নেপুর চন্দ্র পাল, রেজাউল করিম ও মো. আমিমুল এহছান। অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করে শিক্ষার্থী তানিসা তাসমিয়া ছোয়া এবং গীতা পাঠ করেন প্রিয়ন্তী ভট্টাচার্য। শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন পৃথা তালুকদার।

 

অপরদিকে, সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেফালী সুলতানা, সহকারী প্রধান শিক্ষক (দিবা) মোহাম্মদ আজিজুর, সহকারী প্রধান শিক্ষক (প্রভাতি) মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সিনিয়র শিক্ষক কাজল মালাকার, বিপ্লব নন্দী, মো. হুমায়ুন কবীর, মো. মোস্তফা মামুন, মাহমুদুর রহমান, সুপ্রভা সরকার, সুলতানা রোকেয়া পারভীন, মো. আশফাকুর রহমান, মোহাম্মদ মাসুক মিয়া, মো. এমদাদুল ইসলাম, অসীম কুমার সিংহ, কাজী মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, মহিম লাল নাথ, দিলরুবা বেগম, মো. এমদাদুল হকসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।