খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মিথ্যা তথ্য, গুজব ও অপপ্রচার রোধে সর্বোচ্চ কঠোর প্রশাসন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
মিথ্যা তথ্য, গুজব ও অপপ্রচার রোধে সর্বোচ্চ কঠোর প্রশাসন

 চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, রাষ্ট্র ও সমাজের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মিথ্যা তথ্যা, গুজব ও অপপ্রচার ছড়ানো প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীসহ সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। ফেসবুক বা অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমে কোন তথ্য শেয়ার বা মন্তব্য করার আগে তার সত্যতা যাচাই করা জরুরী। গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান কিংবা রাষ্ট্রের ক্ষতি হয় এমন কর্মকান্ড থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার রোধে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কর্তৃক সোমবার সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় ও উদ্বুদ্ধকরণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, নতুন প্রজন্ম বা শিক্ষার্থীদেও কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে না নিয়ে তাদেরকে মোবাইলের অপব্যবহার থেকে মুক্ত রাখতে পিতা-মাতাকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। ভুয়া নামে পরিচালিত ফেসবুক আইডি বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশপাশি এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে জেলা প্রশাসনের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সভায় বক্তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দায়িত্বশীল ও সচেতন ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি যে কোনো তথ্য প্রচার বা শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, সরকারের নিদের্শনা অনুযায়ী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত অপপ্রচার প্রতিরোধে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও অনেক সময় গুজব, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। তাই যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য শেয়ার না করার আহ্বান জানান তারা।

পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দায়িত্বশীল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার এবং সত্য ও নির্ভুল তথ্য প্রচারে সবাইকে একযোগে কাজ করার ওপর গুররুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা আরও বলেন, গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধে সরকারি প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, রাজনৈতিক দল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। মতবিনিময় ও উদ্বুদ্ধকরণ সভায় সামাজিক সম্প্রীতি, আইন-শৃঙ্খলা ও জনস্বার্থ রক্ষায় সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মোঃ সাইদুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উদ্বুদ্ধকরণ সভায় চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইব্রাহীম, প্রেস ক্লাব সভাপতি মোঃ জাহিদুল করিম কচিসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, গণমাধ্যমকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ মতামত ব্যক্ত করেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।