খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

নকশাবহির্ভূত ভবনের বিরুদ্ধে সিডিএর জিরো টলারেন্স

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ
নকশাবহির্ভূত ভবনের বিরুদ্ধে সিডিএর জিরো টলারেন্স

কোনো অবস্থাতেই নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণ করা যাবে না। আমি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানাই, কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে নিয়মবহির্ভূতভাবে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করবেন না। অন্যথায় আইন অনুযায়ী সেই স্থাপনা ভেঙে ফেলতে সিডিএ বাধ্য হবে। পরিকল্পিত, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মঙ্গলবার নগরীর বাকলিয়ার কল্পলোক আবাসিক এলাকায় সিডিএ’র অভিযান পরিচালনার পর বক্তব্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণের বিরুদ্ধে সিডিএ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। এ ধরনের অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং ভবিষ্যতে আরও ব্যাপক ও জোরদারভাবে পরিচালিত হবে।

 

জানা যায়, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই নগরীতে নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন। ওই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় গতকাল অবৈধ ও নকশাবহির্ভূত স্থাপনার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে সিডিএ।

গতকাল নগরীর বাকলিয়ার কল্পলোক আবাসিক এলাকায় সিডিএর স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হামীমুন তানজীনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন। অভিযান চলাকালে কল্পলোক আবাসিক এলাকার নির্মাণাধীন ভবনগুলো পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনে ভবন নির্মাণে বাধ্যতামূলক সেটব্যাক (প্লটের সীমানা থেকে নির্ধারিত খালি স্থান) সংরক্ষণ না করা, অনুমোদিত নকশা থেকে বিচ্যুতি (ডেভিয়েশন) এবং অন্যান্য অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় মোট ১১টি স্থাপনার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

 

ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২–এর ধারা ১২(১) অনুযায়ী নকশাবহির্ভূতভাবে নির্মিত ৭টি বহুতল ভবন এবং একটি অনুমোদনহীন গুদাম সীলগালা করা হয়। একই সঙ্গে সীলগালা করা স্থাপনাগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এছাড়া তিনজন ভবন মালিককে মোট ১৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন চউকের অথরাইজড অফিসার–২ কাজী কাদের নেওয়াজ, সহকারী অথরাইজড অফিসার আসাদ বিন আনোয়ার, সহকারী অথরাইজড অফিসার ফারুক আহাম্মদ এবং সংশ্লিষ্ট ইমারত পরিদর্শকবৃন্দ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।