খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জামালপুরে জমি দখল করতে এসে গণধোলাইয়ের মুখে পিছু হঠলেন আ.লীগ নেতা​​

জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
জামালপুরে জমি দখল করতে এসে গণধোলাইয়ের মুখে পিছু হঠলেন আ.লীগ নেতা​​
জামালপুর শহরে জমি দখল করতে এসে এক আওয়ামী লীগ নেতা ও তার সাথে থাকা কতিপয় ক্যাডার বাহিনী সাধারণ জনগণের তোপের মুখে পড়ে পিছু হঠতে বাধ্য হয়েছেন। জমি দখলকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে ওই এলাকার পরিবেশ বেশ ঘোলাটে হয়ে গেলেও পরবর্তীতে স্থানীয় কয়েক জন মুরুব্বী ও  কয়েক জন গণমাধ্যমকর্মীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই)  দুপুরে জামালপুর শহরের সাহাপুর জামতলা এলাকায় এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।​
 ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,  জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের পিঙ্গলহাটি গ্রামের রিপন মিয়া সাহাপুর জামতলা এলাকায় মুক্তা খাতুনের জমির পাশে একটি বিতর্কিত জায়গা  ক্রয় করেন। পরবর্তীতে বড় অঙ্কের আয়ের উদ্দেশ্যে রিপন মিয়ার পক্ষ নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম জামালপুর সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সন্ত্রাসীদের গডফাদার  ইমতিয়াজ জুবায়েদ ঢালী ওরফে এমএলএ তার নেতৃত্বে ফিল্মি স্টাইলে  মুক্তা খাতুনের প্রায় ২ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টা চালায়। সন্ত্রাসী এই নেতার  ক্যাডার বাহিনী ও কিছু মুরুব্বীদের নিয়ে অবৈধভাবে জমি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে কয়েক জন মুরুব্বী ও উঠতি বয়সের কয়েকজন তরুণ ঘটনার বিস্তারিত জেনে নেতার পক্ষ ত্যাগ করলেও ক্যাডার বাহিনীর কয়েকজন সদস্য তাঁর পাশেই থাকে। ​জমি।দখলের খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের গ্রামের শত শত মানুষ এসে তাঁদের অবরুদ্ধ করে ফেলে। জনতা চরম ক্ষিপ্ত হয়ে চড়াও হতে গেলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় মুরুব্বী ও সংবাদকর্মীরা শক্ত অবস্থান নিয়ে পরিবেশ সামাল দেন। এ বিষয়ে শহরের দাপুনিয়া এলাকার বাসিন্দা হামিদুর রহমান দিদার জানান, দলবল ও ক্যাডার নিয়ে এভাবে দিনের দুপুরে এক নারীর জমি দখল করার চেষ্টা এটা ভালো জিনিস নয়। আমরা এলাকায় এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দেখতে চাই না। তিনি মেলান্দহ ট্রেজারি অফিসে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে চাকরি করছেন। একজন সরকারি চাকরিজীবী হয়ে কিভাবে তিনি জমি দখল করতে আসেন। তিনি আরো বলেন, কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তার সাথে এই আওয়ামী লীগ নেতার গভীর সখ্যতা রয়েছেন যে কারণে আজ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা এই নেতা গ্রেফতার হচ্ছেন না।
শাহাপুর এলাকার তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলের পরিবেশ  পরিস্থিতি  ঘোলাটে রূপ নিয়েছিল।  আমরা তাৎক্ষণিকভাবে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করি এবং সংবাদকর্মীদের সহায়তায় পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আনি। অন্যায়ভাবে জমি দখলের এই অপচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। উত্তেজিত এলাকাবাসীদের শক্ত অবস্থান দেখে ওই আওয়ামী লীগ নেতা ও তার ক্যাডার বাহিনী মুহূর্তেই এলাকা ত্যাগ করেন কিন্তু তার সাথে আসা কয়েকজন মুরুব্বী উঠতি বয়সের কয়েকজন তরুণ বিষয়টি বুঝতে পেরে সাথে সাথেই তীব্র প্রতিবাদ জানান।
ওই এলাকার সমাজসেবক মিনহাজ রাজন জানান, ঘটনার সত্যতা বুঝতে পেরে শহর এবং বিভিন্ন স্থান থেকে আশা কয়েকজন মুরুব্বী ও তরুণ ওই  নেতার পক্ষ ত্যাগ করেছিলেন।পরবর্তীতে তাদের যথাযথ সম্মান জানিয়ে তাৎক্ষণিক বৈঠক ও আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে। ভুক্তভোগী মুক্তা খাতুন জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ওই আ.লীগ নেতা প্রভাব খাটিয়ে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের জমি দখলের চেষ্টা করছিলেন। তিনি বলেন, আমার জায়গায় কেন এই আওয়ামী লীগ নেতা হস্তক্ষেপ করবে বিষয়টি আমার মাথায় আসেনা তিনি এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
এছাড়া স্থানীয়দের দাবি, এই নেতা বাংলাদেশ আওয়ামী সংস্কৃতি ফোরামে জামালপুর সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সরকারি একটি চাকরি করেন। কতিপয় প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তার সাথে তার কিভাবে সম্পর্ক হয় এটি মাথাতে আসে না।  হাসিনা সরকার পতনের আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় এই নেতার সরাসরি সম্পৃক্ততা ও নেতৃত্ব দেওয়ার গুরুতর তথ্য মিলেছে। তাকে এখনও গ্রেফতার না করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।​

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।