খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বর্তমান সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে — বাণিজ্যমন্ত্রী

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
বর্তমান সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে — বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ সঠিকভাবে কাজে লাগানো তাগিদ দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

 

জাতীয় বাজেটেও এ দুই খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, বরাদ্দের শতভাগ কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে। সঠিক পরিকল্পনা ও আন্তরিক বাস্তবায়নের মাধ্যমেই স্বাস্থ্যসেবার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব।

শনিবার (৪ জুলাই) সকালে সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই চলতি অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন করতে হয়েছে। সময় স্বল্পতা থাকলেও সরকার বাজেটে কয়েকটি মৌলিক পরিবর্তন এনেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো মানবসম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া। আর মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রধান দুটি ভিত্তি হচ্ছে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য।

 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য হলো পর্যায়ক্রমে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে জাতীয় আয়ের (জিডিপি) পাঁচ শতাংশ করে বিনিয়োগ নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পরিকল্পিত ও সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

 

 

তিনি বলেন, সিলেটে স্বাস্থ্য খাতে অনেক ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু সবগুলো এখনো কাঙ্ক্ষিতভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে না। এসব অবকাঠামোকে জনগণের কার্যকর সেবায় কাজে লাগাতে হবে। আজকের এই পর্যালোচনা সভার মাধ্যমে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত সমাধানের পথ বের করতে হবে।

 

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সমন্বিতভাবে কাজ করলে সিলেটকে দেশের অন্যতম চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

 

সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. জিয়াউর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. উমর রাশেদ মুনির, ওসমানী মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোস্তফা তৌফিক আহমেদ, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. মো. নূরে আলম শামীম, সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দিন এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।