খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা ও মানহানিকর দাবি, তীব্র প্রতিবাদ

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা ও মানহানিকর দাবি, তীব্র প্রতিবাদ

” শ্বাশুরীর পরকীয়া জেনে যাওয়ায় জামাতাকে খুনের অপচেষ্টা, চট্টগ্রাম আদালতে মামলা”- এ

ধরনের একটি খবর “ দৈনিক প্রথম ” নামীয় সংবাদের অনলাইন পোর্টালে গত ৪ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখে প্রচারিত হয়। উল্লেখ্য যে,

প্রবাসী সাধন সেন এর স্ত্রী পম্পী সেন’র এক কন্যা এবং এক পুত্র নিয়ে নন্দনকানন ভাড়াবাসায় থাকিয়া সন্তানদের স্কুল ও কলেজে লেখাপড়া করান। জয় দে নামীয় এক যুবক পম্পী সেনের কন্যা শ্রাবন্তী সেনকে ফুসলিয়ে ১৭ বছর ২৬ দিন বয়সে বাল্যবিবাহ করেন। পরবর্তীতে শ্রাবন্তী সেনের মাতা পম্পী সেন বিষয়টি অবগত হওয়ার পর খবর নিয়ে জানতে পারেন যে, জয় দে একজন মাদকাসক্ত, বখাটে যুবক। শ্রাবন্তী সেন উক্ত বিষয়টি জানার পর জয় দে এর সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। তৎপরবর্তীতে লোভী বখাটে জয় দে শ্রাবন্তী সেনের মাতা পম্পী সেনের বিরুদ্ধে পরকীয়া প্রেমের তকমা দিয়ে সামাজিক কুৎসা, অপপ্রচার, বিভিন্ন বেনামী অনলাইন নিউজে আত্নসম্মানহানিকর পোষ্ট প্রচার করিতে থাকেন। এমনকি AI দিয়ে পম্পী সেনের সহিত অন্য পুরুষের ছবি সংযুক্ত সামাজিক মাধ্যমে পরকীয়া প্রেমিক হিসেবে প্রচার করিতে থাকেন। উক্তরূপ পোষ্ট আপলোডে সহায়তাকারী ID হল Sen Palash, Turja Rudra, Parul Das, Sabuj Das Gupta Shavo সহ কয়েকটি facebook Page এবং ID। উক্ত পেজসমূহের Facebook Admin ও ID Post এর দাতাগনের বিরুদ্ধে Cyber Law এবং Penal Code অনুযায়ী মামলা দায়ের এর জন্য তথ্য অনুসন্ধানের কাজ চলমান আছে এবং ইতিমধ্যে জয় দে ও বিবাহ সম্পাদনকারী পন্ডিতের বিরুদ্ধে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের অধীনে মাননীয়

মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত- ০১, চট্টগ্রামে সি.আর মামলা নং- ২০৮৭/২৬

(কোতোয়ালী) দায়ের করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে জয় দে, লোভের বশীভূত হয়ে পম্পি সেনের

নাবালিকা কন্যা শ্রাবন্তী সেনকে ফুসলিয়ে রাজি করিয়ে বাল্য বিবাহ করেন। বাল্য বিবাহের

ক্ষেত্রে নাবালক কন্যা সম্মতি থাকিলেও বিবাহকারী ও বিবাহ সম্পাদনকারীর ০২ বছরের কারাদন্ড বা ১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ডের বিধান আছে। ইতিমধ্যে জয় দে আন্দরকিল্লা মোড়ে ব্যক্তিগত দ্বন্ধের কারনে মারধরের শিকার হলে উক্ত সুযোগ কাজে লাগিয়ে পম্পি সেনসহ অন্যান্য আত্নীয় স্বজনকে মামলায় আসামী করেন। উক্ত মিথ্যা মামলা পম্পী সেনকে আদালত জামিনে মুক্তি লাভ করেন। এধরণের একটি ঘটনাকে ভিন্নভাবে সাজিয়ে পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করার বিষয়টি মানহানিকর বঠে। আমি উক্ত মানহানিকর মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পক্ষে – এডভোকেট জনি কান্তি দে , রুম নং- ৭০২০ ( ৭ম তলা) আইনীজীবী এনেক্স ভবন-২, কোর্ট হিল, চট্টগ্রাম।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।